সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বড়তলায় ৭ মাসের শিশুর উপর যৌন নির্যাতনের ঘটনায় দোষীকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে পকসো আদালত। গত বছরের সেই ঘটনার পর থেকে সেই শিশু হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। এখনও সে সংকটজনক বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর। বৃহস্পতিবার আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে তাকে দেখতে গিয়েছিল শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিদল। চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তাঁরা জানান, এ ধরনের ঘটনায় যাবতীয় ক্ষতিপূরণ পাবে শিশুর পরিবার। এছাড়া শিশুর পুষ্টিগত সমস্যা দূর করতে বাড়িতে রেশন পৌঁছে দেওয়া হবে। সরকারি সমস্ত সুযোগসুবিধা যাতে পায় সে, তা সুনিশ্চিত করেছেন শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যরা।
এই মুহূর্তে ওই শিশু আর জি কর হাসপাতালের PICU বিভাগে চিকিৎসাধীন। এদিন শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন তুলিকা দাসের নেতৃত্বে চারজনের প্রতিনিধি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চারতলায় সেই বিভাগে গিয়ে শিশুর শারীরিক অবস্থা কেমন রয়েছে, তা দেখেন। কথা বলেন তার পরিবারের সঙ্গে। শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন তুলিকা দাস জানান, ”এই ধরনের ঘটনায় সরকারি প্রকল্পে যে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার কথা। সমস্ত ধরনের ক্ষতিপূরণ পাবে শিশুটি ও তার পরিবার। তার পরিবারের তরফ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে, তারা গ্রামে ফিরে যাবে। শিশুটির পুষ্টিগত সমস্যা দূর করতে জেলাশাসককে জানাব, তার বাড়িতে যেন চাল থেকে শুরু করে খাবার প্রতিনিয়ত পৌঁছে যায়।”
তুলিকা দাস, অনন্যা চক্রবর্তীরা আরও জানান, ”এখানে ভালো চিকিৎসা হচ্ছে। চার বছরের ভাই রয়েছে ওই শিশুর। তাদের যা চাহিদা রয়েছে মেটানো হবে। জেলাতে যারা দায়িত্ব রয়েছে, তাদের সবটা দেখতে বলেছি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, মাসে চার হাজার টাকা পাওয়ার কথা পরিবারের। সেটা যাতে পায়, দেখব। শিশুটির পরিবারের কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নেই, সেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।” কলকাতার বড়তলা এলাকার ফুটপাথবাসী ওই শিশুকে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে দোষী রাজীব ঘোষকে।
সর্বশেষ খবর
-
দার্জিলিঙে রোপওয়ে, সুন্দরবনে প্রমোদতরী! পর্যটনকে ঢেলে সাজাতে মাস্টার প্ল্যান রাজ্যের
-
আচমকা মস্কোয় অবতরণ করল মার্কিন সেনার বিমান! ঘনাচ্ছে রহস্য, কী বলল ক্রেমলিন?
-
নজরে মহিলা ও যুবসমাজ, মোদির জন্মদিন উপলক্ষে একমাসের মেগা জনসংযোগ কর্মসূচি বঙ্গ বিজেপির
-
‘দুর্নীতিমুক্ত’ পুজোয় কোপ বাজেটে, উত্তর থেকে দক্ষিণ, ‘ছোট’ হচ্ছে কলকাতার কোন বড় পুজো?
-
এসআইআরে সেরা বিএলও, এবার ৭ দিনেই জনগণনার কাজ শেষ করলেন কালনার শিক্ষক