স্টাফ রিপোর্টার: পাঁচ মিনিট! নাহ। অত সময় লাগেনি। মিনিট তিনেকের মধ্যে হাতে পেলেন স্বাস্থ্য সাথী কার্ড। কলকাতার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নারকেলডাঙা নর্থ রোডের বাসিন্দা নন্দিনী বন্দ্যোপাধ্যায় কার্ড হাতে নিয়ে আপ্লুত। বলেছেন, ‘‘তিন বছর ধরে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছি। আজ কয়েক মিনিটের মধ্যে কার্ড পেলাম। এই ঘটনার নেপথ্যে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।’’
শুক্রবার ‘টক টু মেয়র’ অনুষ্ঠানে নারকেলডাঙা নর্থ রোডের বাসিন্দা রাজর্ষি সিকদার জানান, অনেকদিন চেষ্টা করেও স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পাচ্ছেন না। মেয়র যদি একটু ব্যবস্থা নেন। শুনেই মেয়র ফিরহাদ হাকিম আজ শনিবার তাঁদের পুর ভবনে আসতে অনুরোধ করেন। এদিন দুপুরে মেয়রের চেম্বারে নন্দিনী বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজর্ষি সিকদার আসতেই মেয়র তাঁদের বসতে বলেন। কয়েক মিনিটের মধ্যে তাঁদের হাতে কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসাথী কার্ড হাতে তুলে দেন। তাঁরা যাতে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেন তার নির্দেশ দেন।
অভিযোগ জানানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড হাতে পেয়ে দম্পতি যেমন বিস্মিত, ঠিক তেমনই খুশি মেয়র ফিরহাদ হাকিম। পরে মেয়র জানান, তিনি কিছুই করেননি। আসলে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলেই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দ্রুত পাওয়া যায়। অনেক মানুষ সে পদ্ধতি জানেন না, ফলে তাঁদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই পদ্ধতি করে দিয়েছেন। কিছু জনসংযোগের অভাবে বা কোথাও আধিকারিকদের খানিকটা গাফিলতিতে কাজ আটকে যায়। উল্লেখ্য, এর আগে সাউথ সিটির মতো বহুতল-অভিজাত আবাসনের সম্পন্ন পরিবারের আবেদনেও সাড়া দিয়ে ৯৩ ওয়ার্ডে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের জন্য বিশেষ শিবির করিয়েছেন মেয়র। ফিরহাদের কথায়, “মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের ধনী-গরিব সমস্ত পরিবারের জন্যই ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের ব্যবস্থা করেছেন। আমরা শুধু পৌঁছে দিচ্ছি।”
সর্বশেষ খবর
-
সিআইএ এজেন্ট সেজে প্রতিরক্ষা চুক্তি! ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টকে বোকা বানিয়ে লুট ভারতীয় বংশোদ্ভূতর
-
লক্ষ্য কর্মসংস্থান, ঘাটতি পূরণে ডিম উৎপাদন নিয়ে বিপ্লবের পথে বাংলা
-
মাত্র ৩৮ বছরেই প্রয়াত আফগান পেসার, ‘জঙ্গি হানা’য় বাঁচলেও হার বিরল রোগের কাছে
-
দেশে প্রথম, নয়া আইন মেনে ওয়াকফ বোর্ডে নির্বাচিত হলেন দুই হিন্দু সদস্য
-
বেঁধে দেওয়া হল সময়, রুট বাতলে শর্তসাপেক্ষে মমতার মিছিলে অনুমতি হাই কোর্টের