সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বৃহস্পতিবার সাময়িক স্বস্তি পেয়েছেন ‘যোগ্য’ চাকরিহারারা। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মতো ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্কুলে যেতে পারবেন ‘যোগ্য’ শিক্ষক-শিক্ষিকারা। সুপ্রিম নির্দেশের পরই বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন থেকে চাকরিহারাদের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা জানান, যোগ্য চাকরিহারাদের যাতে কোনও সমস্যা না হয় সে বিষয়টি দেখছিল রাজ্য। সুপ্রিম কোর্টে আবেদনেও করা হয়েছিল। এবার সেই আবেদনেই সাড়া দিল কোর্ট। এবছরেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিনের নির্দেশে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ৩১ মে-র মধ্যে এসএসসিকে নতুন করে নিয়োগ সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করতে হবে। এই বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এর আগে ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার রায় দিতে গিয়ে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল, তিনমাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। যদিও সে সময় প্রশ্ন উঠেছিল এত কম সময়ের মধ্যে আদৌও সব প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব কিনা। এ বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, “ডিসেম্বর পর্যন্ত আমরা সময় পেয়ে গেছি। এই বছরের মধ্যেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।”
এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের আগের রায়ে যোগ্য শিক্ষকদের বেতন দেওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। এদিনের রায়ে সেই বিষয়টি নিয়েও জটিলতা কাটতে চলেছে। এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শিক্ষকদের কীভাবে বেতন দেওয়া যায় সে নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। তবে কীভাবে তাঁদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা যায়, সে পথও বলে দিয়েছিলাম।” এদিকে শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, “চিন্তা করবেন না। ভালো করে মন দিয়ে কাজ করুন। আমরা আপনাদের সমসাথী, সমব্যথী। আপনাদের বেদনা হলে আমাদেরও বেদনা লাগে।”
সর্বশেষ খবর
-
‘ইসলামই শ্রেষ্ঠ’, মন্তব্য কর্নাটকের মন্ত্রীর, হিন্দু ধর্মকে হেয় করার অভিযোগ বিজেপির
-
ঠোঁটে সারাক্ষণ কৃষ্ণনাম, সাধু বেশে আশ্রয় নিয়ে একের পর এক মঠে লুট! তারপর…
-
নেপালের দুর্যোগে ভাসবে উত্তরপ্রদেশ? ফুঁসছে নারায়ণী-গণ্ডক, প্লাবনের শঙ্কায় সতর্কতা একাধিক জেলায়
-
পাথর হয়েছিল পিত্তথলিতে, অস্ত্রোপচার হল অ্যাপেনডিক্স! কাঠগড়ায় এনআরএস হাসপাতাল
-
হবু স্ত্রী ইউরোপের রাজকন্যা! বিলাওয়াল ভুট্টোর বিয়ে নিয়ে জল্পনা, কী বলছে পাকিস্তান পিপলস পার্টি?