Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

‘চোখ বন্ধ করে ভরসা করে বাংলা,’ মমতার প্রশংসায় প্রতীক, ‘ভালো বলেছ, জল খাও,’ বললেন দিদি

''কাগজ আমরা দেখাব না।'' ধর্মতলায় এসআইআরের ধরনামঞ্চ থেকে হুঙ্কার প্রতীক উর রহমানের।

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ১৯:০৬

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ১৯:০৬

options
link
‘চোখ বন্ধ করে ভরসা করে বাংলা,’ মমতার প্রশংসায় প্রতীক, ‘ভালো বলেছ, জল খাও,’ বললেন দিদি zoom
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চে বক্তব্য রাখার সময় প্রতীক।

”পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে দিদি হচ্ছে একটা ব্র্যান্ড। বাংলার মানুষ চোখ বন্ধ করে ভরসা করে।” মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রতীক উর রহমান। কয়েকদিন আগেই সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন প্রতীক উর। আজ শনিবার ধর্মতলায় এসআইআরের ধরনামঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখেন তিনি। সেই বক্তব্যে একদিকে যেমন ভারতবর্ষের বৈচিত্রের কথা তুলে ধরেন, অন্যদিকে বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশনকেও একহাত নেন প্রতীক উর রহমান। তাঁর হুঙ্কার, ”কাগজ আমরা দেখাব না।” তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর মমতার মঞ্চে এটাই প্রতীকের প্রথম বক্তব্য! সংক্ষিপ্ত হলেও তাতে ‘দিদি’ মমতা যে খুশি তা তাঁর বক্তব্যেই উঠে আসে। বক্তব্য শেষ হতেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”ভালো বলেছ, এবার জল খেয়ে নাও।”

শুক্রবার দুপুর থেকে ধর্মতলার মঞ্চে প্রতিবাদ শুরু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাতে সেখানেই বিশ্রাম নিয়েছিলেন। আর শনিবার বেলার দিকে সেই ধরনামঞ্চ থেকে একাধিক ইস্যুতে বিজেপিকে নিশানা করে তোপ দেগেছেন। সেই মঞ্চেই এদিন বক্তব্য রাখেন প্রতীক উর রহমান। বক্তব্যের শুরুতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ”প্রথমেই আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের নেত্রী, বাংলার জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে।” মঞ্চে না থাকলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান। বলেন, ”এখন তিনি মঞ্চে নেই, কিন্তু তাঁর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করব। আমি অভিভূত, আমি আনন্দিত, এই এত বড় মঞ্চে আমাকে বলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।”

Advertisement

এরপরেই জ্ঞানেশ কুমারকে সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে প্রতীক উর বলেন, ”জ্ঞানেশ কুমারের প্রচুর জ্ঞান। শুধু কাণ্ডজ্ঞানটুকু নেই। মানুষের জন্য কাজ করে নির্বাচন কমিশন। মানুষের প্রতি যে দায়বদ্ধতা, সেটুকু কাজ তিনি করেন না।” যুবনেতার অভিযোগ, ”মানুষের হয়রানি করতে, বিজেপির স্লোগানকে বাংলার মাটিতে বাস্তবায়িত করতে হবে। তার জন্য যতগুলি নাম আছে তা কেটে দাও।”

জ্ঞানেশ কুমারকে সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে প্রতীক উর বলেন, ”জ্ঞানেশ কুমারের প্রচুর জ্ঞান। শুধু কাণ্ডজ্ঞানটুকু নেই। মানুষের জন্য কাজ করার জন্য নির্বাচন কমিশন। মানুষের প্রতি যে দায়বদ্ধতা, সেটুকু কাজ তিনি করেন না।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরেই এদিন জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ভ্যানিশ কুমার বলে তোপ দাগেন প্রতীক উর। বলেন, ‘আমাদের নেত্রী বারবার করে বলছেন ভ্যানিস কুমার। যতই চেষ্টা করুন ভ্যানিশ কুমার তৃণমূলকে ভ্যানিশ করতে পারবে না। কিন্তু ছাব্বিশের পরে, আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলে যাচ্ছি, পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে এই বাংলার মানুষ পদ্মফুলকে ভ্যানিশ করবে।”

‘আমাদের নেত্রী বারবার করে বলছেন ভ্যানিস কুমার। যতই চেষ্টা করুন ভ্যানিশ কুমার তৃণমূলকে ভ্যানিশ করতে পারবে না। কিন্তু ছাব্বিশের পরে, আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলে যাচ্ছি, পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে এই বাংলার মানুষ পদ্মফুলকে ভ্যানিশ করবে।”

এদিন প্রতীকের বক্তব্যে দেশভাগের প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, ”ভারত ভাগ হয়েছিল যখন, সেই সময় জিন্নার চোখে চোখ রেখে ভারতীয় মুসলিমরা বলেছিল, লাথি মারি তোর পাকিস্তানকে, এই দেশ আমার।” আর সেই ইতিহাসকে মনে করিয়ে তৃণমূলের এই নেতা বলেন, এই দেশকে নিজের বলে মনে করেন বাংলার মুসলিমরা। ফলে কাগজ যে দেখানোর যে প্রয়োজন নেই, তা নিয়ে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি প্রতীক উর রহমানের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.