Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

বৈষ্ণোদেবী যাত্রায় পূণ্যার্থীদের মৃত্যুতে শোকাহত মুখ্যমন্ত্রী, পরিবারের প্রতি জানালেন সমবেদনা

এই ঘটনার জেরে বৈষ্ণোদেবী যাত্রা আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৫, ১৭:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৫, ১৭:২১

options
link
বৈষ্ণোদেবী যাত্রায় পূণ্যার্থীদের মৃত্যুতে শোকাহত মুখ্যমন্ত্রী, পরিবারের প্রতি জানালেন সমবেদনা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীর বৈষ্ণোদেবী যাত্রায় প্রাণ গিয়েছে ৩১ জনের। আহত বহু। বিপর্যস্ত ভূস্বর্গ! চলছে উদ্ধারকার্য। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদমনা ও আহতদের দ্রুত সুস্থতার কামনা করে সোশাল মিডিয়া পোস্ট করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, ‘এত মানুষের প্রাণহানি আমাকে শোকাহত করেছে। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। মা বৈষ্ণোদেবী ওদের দ্রুত সুস্থ করুন।’

ধসের জেরে ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা। বুধবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও জোরকদমে শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। তবে শুধু বৈষ্ণোদেবী যাত্রাপথ নয়, ভারীবৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত গোটা জম্মু ও কাশ্মীর। প্রাকৃতিক দুর্যোগ চিন্তিত করে তুলেছে মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি লিখেছেন, ‘জম্মু ও কাশ্মীরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ (বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে যাওয়ার পথে ভূমিধস) আমাদের চিন্তিত করে তুলেছে। আমি ওখানকার বাসিন্দাদের প্রতি সমবেদনা জানাই।’

Advertisement

মঙ্গলবার দুপুর অর্ধকুয়ারিতে ইন্দ্রপ্রস্থ ভোজনালয়ের কাছে বড়সড় ধস নামে। আচমকা পাহাড়ের ঢাল বেয়ে পাথর, বোল্ডার নেমে আসায় পুণ্যার্থীদের হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। ধসের নিচে চাপা পড়ে যান অসংখ্য পুণ্যার্থী। এর জেরে গতকালই জানা গিয়েছিল ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ১৪ জন। বুধবার সকালে সেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩১। এখনও ধসের নিচে বহু মানুষ চাপা পড়ে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এক্স হ্যান্ডেলে ধসের বিষয়ে জানিয়েছে বৈষ্ণোদেবী তীর্থ কর্তৃপক্ষও। এই ঘটনার জেরে বৈষ্ণোদেবী যাত্রা আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে জম্মু ও কাশ্মীরের অন্যান্য অঞ্চলগুলিতে আতঙ্কের মেঘ জমেছে। কাঠুয়া, ডোডা, জম্মু, সাম্বা, রামবান এবং কিস্তওয়ার জেলাগুলিতে মঙ্গলবারই ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। এরপর গতকাল মেঘভাঙা বৃষ্টি নামে ডোডায়। ভয়ংকর বৃষ্টির জেরে আসে হড়পা বান। প্রশাসনের তরফে জানা যাচ্ছে, দুর্ঘটনার জেরে মৃত্যু হয়েছে অন্তত চার জনের। পাশাপাশি বহু মানুষ নিখোঁজ। তাউই নদীর জল বিপজ্জনক ভাবে বেড়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছে প্রশাসন।

পরিস্থতি এতটাই গুরুতর আকার নিয়েছে যে ভূমিধসের ভয়ে বন্ধ রাখা হয় জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়ক। ডোডা জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলি কার্যত ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। নদীর জলস্তর বইছে বিপদসীমার উপর দিয়ে। রাতভর বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঝুঁকি এড়াতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের তরফে। ধসপ্রবণ এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.