Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Mamata Banerjee

এসআইআরের নামে কবি-সাহিত্যিকদের হেনস্তা! বইমেলার মঞ্চে সবাইকে প্রতিবাদের ডাক মুখ্যমন্ত্রীর

৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার মঞ্চ থেকেও ফের এসআইআর হয়রানি নিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ফারুক আলম
ফারুক আলম

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৭:৪৩

link
ফারুক আলম
ফারুক আলম

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৭:৪৩

options
link
এসআইআরের নামে কবি-সাহিত্যিকদের হেনস্তা! বইমেলার মঞ্চে সবাইকে প্রতিবাদের ডাক মুখ্যমন্ত্রীর zoom
কলকাতা বইমেলা উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সৌজন্য: ছবি- অরিজিৎ সাহা।
Advertisement

এসআইআর নিয়ে মানুষের হয়রানির শেষ নেই। ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি’র নামে মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েছে শাসকদল তৃণমূল। এমনকী ছোটখাটো বিষয়ে যেভাবে মানুষকে এসআইআর শুনানির নামে ডাকা হচ্ছে বলে তা নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বৃহস্পতিবার ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার মঞ্চ থেকেও ফের এসআইআরে ‘মৃত্যু’ এবং হয়রানি নিয়ে সরব হলেন তিনি। একইসঙ্গে যেভাবে নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামীকে এসআইআর নোটিস পাঠানো হয়েছে তা নিয়েও ফের একবার কমিশনকে একহাত নেন প্রশাসনিক প্রধান। পাশাপাশি এই ইস্যুতে সবাইকে একজোট হয়ে প্রতিবাদ করার কথাও বলেন তিনি।  

আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরেই এদিন মেলার উদ্বোধন হয়। সেই মঞ্চ থেকেই ফের এসআইআর ইস্যুতে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ”বাংলায় এসআইআর চলছে। ইতিমধ্যে ১১০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মানুষের হয়রানির কথাটাও মনে রাখতে হবে। শুনানিতে পাঁচ-ছঘণ্টা করে লাইন দিতে হচ্ছে।”

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ”লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি কোনওদিন এসআইআরে ছিল না। একমাত্র এই রাজ্যেই হচ্ছে। অন্য কোথাও হচ্ছে না। ডার্কলিস্ট, ফাইনাল লিস্ট বের হওয়ার পর যারা বঞ্চিত হয়েছেন তাঁরা যাবেন।”

এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে পদবীর গেরোয় যেভাবে মানুষকে যেভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে তা নিয়েও সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কেউ চ্যাটার্জি চট্টোপাধ্যায় লেখেন, কেউ মুখার্জি বাংলায় মুখোপাধ্যায় লেখেন। খুব দোষ হয়ে গেছে। একজনকে বলছে পাঁচটা ছেলে-মেয়ের একই বাবা-মা হয় কীভাবে?”

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”এমন তো অনেকের আছে। আগে তো ‘হাম দো হামারা দো’ ছিল না।” ঐতিহ্য এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় বাংলার অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অমর্ত্য সেনকে যদি বলে তোমার বাবার সঙ্গে মায়ের বছরের কত ডিফারেন্স? এর থেকে লজ্জাজনক কি হতে পারে। কবি জয় গোস্বামীকেও ডেকে পাঠানো হচ্ছে। অনেক ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারকেও ডাকা হচ্ছে।”

কমিশনকে একহাত নিয়ে সবাইকে এই বিষয়ে একজোট হয়ে প্রতিবাদ করার কথা বলেন প্রশাসনিক প্রধান। তাঁর কথায়, ”আগে নিয়ম ছিল ইলেকশন কমিশন নয়, জনগন নির্ধারণ করতেন কে আসবে। কিন্তু এখন ভোটের আগেই কমিশন ঠিক করে দিচ্ছেন কাকে নিয়ে আসবেন। মানুষের গণতান্ত্রিক হরণ করে। এটা হতে পারে না। সবাই এর প্রতিবাদ করবেন। মনে রাখবেন, আমার ঘরে আগুন লাগেনি বলে, পাশের বাড়িতে লেগেছে। আমি চুপ থাকতে পারি না।” অমর্ত্য সেন, জয় গোস্বামী কিন্তু আপনাদেরও টাচ করে বলেও উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাহিত্যিক, অতিথিদের উদ্দেশ্যে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.