Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Mamata Banerjee

নন্দীগ্রাম আসন ছাড়তে চেয়ে বেনুগোপালকে ফোন মমতার, জোটে নারাজ কংগ্রেস

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপ নির্বাচনের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে শুরু করেছেন। সেই আবহে উপনির্বাচনে জোট চেয়ে কংগ্রেসের শীর্ষনেতৃত্বকে প্রস্তাব দিলেন কালীঘাট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কৃষ্ণকুমার দাস
কৃষ্ণকুমার দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ২৩:৩৮

link
কৃষ্ণকুমার দাস
কৃষ্ণকুমার দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ২৩:৩৮

options
link
নন্দীগ্রাম আসন ছাড়তে চেয়ে বেনুগোপালকে ফোন মমতার, জোটে নারাজ কংগ্রেস zoom
উপনির্বাচনে জোট চাইছেন মমতা। তবে প্রস্তাবে নারাজ কংগ্রেস।
Advertisement

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপ নির্বাচনের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে শুরু করেছেন। সেই আবহে উপনির্বাচনে জোট চেয়ে কংগ্রেসের শীর্ষনেতৃত্বকে প্রস্তাব দিলেন কালীঘাট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এআইসিসির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপালকে ফোন করেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। নন্দীগ্রাম আসন কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাবও  দেন তিনি। পাশাপাশি রেজিনগর কেন্দ্রে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীকে সমর্থনের জন্য কংগ্রেস নেতৃত্বের কাছে আবেদন জানিয়েছেন মমতা।

তাহলে কি কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে উপনির্বাচনে জোট হচ্ছে? সেই প্রশ্ন বঙ্গ রাজনীতিতে চর্চায় উঠে আসে। তবে মমতার প্রস্তাবকে নাকচ করেছে কংগ্রেস নেতৃত্ব, এমনই অন্দরের খবর। অতীতে মমতার জোট ভেঙে বেরিয়ে যাওয়া, রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকালে কংগ্রেস কর্মীদের উপর ‘অত্যাচারে’র প্রসঙ্গেই মমতার প্রস্তাব খারিজ হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, জোট চাইলে উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর আসনে কংগ্রেসকে সমর্থন করুক কালীঘাট তৃণমূল। আগামী দিনে তাহলে জোটের রাস্তা আরও খোলা থাকবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। কংগ্রেসের তরফে দুই কেন্দ্রেই প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। কালীঘাট তৃণমূলও দুই কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে। এদিকে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলও এদিনই দুই কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে। দলের প্রতীক নিয়ে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে জোড় লড়াই চলছে। ফলে দুই কেন্দ্রেই তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে লড়াই হবে। তেমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ঋতপন্থী তৃণমূলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী এহতাশামুল হক, রেজিনগরে প্রার্থী হচ্ছেন সফিউজ্জমান শেখ। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে ও রবিউল আলম চৌধুরী। 

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, জোট চাইলে উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর আসনে কংগ্রেসকে সমর্থন করুক কালীঘাট তৃণমূল। আগামী দিনে তাহলে জোটের রাস্তা আরও খোলা থাকবে।

নন্দীগ্রামের কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে-কে নিয়ে ইতিমধ্যেই স্থানীয় স্তরে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে বলে খবর। ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছিল তাঁর। সেই নিয়ে কালীঘাট তৃণমূলের স্থানীয় স্তরে প্রার্থীর ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে প্রকাশ্যে এখনও প্রার্থীকে নিয়ে ক্ষোভ দেখা যায়নি। তাহলে কি প্রার্থী বাছাইয়ে ‘ব্যাকফুটে’ ও অন্য কাউকে প্রার্থী না পেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের দ্বারস্থ হলেন? সেই প্রশ্ন উঠেছে। সোমবার সন্ধ্যায় এআইসিসির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপালকে ফোন করেন মমতা। রাজ্যে বিজেপিকে আটকাতে উপনির্বাচনে একজোটে লড়াই করার প্রস্তাব দেন। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে লড়ার কথা বলে রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলকে সমর্থনের কথা বলেন নেত্রী। সেক্ষেত্রে নন্দীগ্রামে দলের দেওয়া প্রার্থী সরিয়ে নেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন মমতা। তবে চিঁড়ে ভেজেনি বলেই খবর। এদিনই মমতার প্রস্তাব নাকচ করেন কংগ্রেস হাইকমান্ড।  

নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে লড়ার কথা বলে রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলকে সমর্থনের কথা বলেন নেত্রী। সেক্ষেত্রে নন্দীগ্রামে দলের দেওয়া প্রার্থী সরিয়ে নেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন মমতা। তবে চিঁড়ে ভেজেনি বলেই খবর। এদিনই মমতার প্রস্তাব নাকচ করেন কংগ্রেস হাইকমান্ড।  

রেজিনগরে কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি। নন্দীগ্রাম থেকে এবার লড়ছেন মিলন প্রধান। প্রসঙ্গত, এদিনই রেজিনগরে কংগ্রেসের প্রার্থী মনোময়নপত্র জমা দিয়েছেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। প্রসঙ্গত, কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, ২০১১ সালের বিধানসভা ভোটের সময় সরকার থেকে বামেদের হটাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছিলেন। জোটের সুবিধা পেয়ে ভোটে জেতার পর তৃণমূল সরকার গড়ে। ২০১২ সালেই রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন মমতা। এরপর তৃণমূলের শাসনকালে কংগ্রেসের উপর আক্রমণ নেমে এসেছে বলে অভিযোগ। কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, খুনও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। মমতার এবারের প্রস্তাব জানার পরেই কংগ্রেসের নিচুতলার নেতৃত্বের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায়। বাংলার কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের দাবিকে সম্মান জানিয়েই মমতার প্রস্তাব ফেরানো হয়েছে বলে কংগ্রেস নেতৃত্ব জানিয়েছেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.