Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Mamata Banerjee

চন্দ্রিমা বিদায়ে দলের রাজ্য সভানেত্রী মমতা নিজেই! দুই সাধারণ সম্পাদক মদন ও কুণাল

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি অনুযায়ী এই মুহূর্তে তিনি দলের সর্বভারতীয় চেয়ারপার্সনের পাশাপাশি রাজ্য সভাপতিও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৮:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৮:৫২

options
link
চন্দ্রিমা বিদায়ে দলের রাজ্য সভানেত্রী মমতা নিজেই! দুই সাধারণ সম্পাদক মদন ও কুণাল zoom
কালীঘাট তৃণমূলের নতুন রাজ্য সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ঘোষিত নতুন ২ সাধারণ সম্পাদকের নামও
Advertisement

তৃণমূল কংগ্রেসের কালীঘাট সংগঠনে বদলের পর বদল! দু’মাস কাটতে না কাটতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বেছে দেওয়া রাজ্য সভানেত্রীর পদ থেকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ইস্তফায় নতুন করে চ্যালেঞ্জ তৈরি হল। আর সেই চ্যালেঞ্জ সামলাতে একেবারে নিজেকে সামনে নিয়ে এলেন তৃণমূলনেত্রী। শনিবার ফেসবুক লাইভ করে মমতা ঘোষণা করেন, চন্দ্রিমার বিদায়ের পর তিনিই রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। সংগঠন চালানোর সুবিধায় দুই সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করলেন তিনি। কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra) ও বেলেঘাটার কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) হলেন রাজ্য তৃণমূলের নতুন দুই সাধারণ সম্পাদক। 

মমতার কথায়, ‘‘কে ছেড়ে গেল, তাতে কিছু যায় আসে না। আমি নেতা চাই না, সাধারণ কর্মী চাই। দলের রাজ্য সংগঠনটাও এখন আমি চালাব। আপাতত আমার কাজ নেই। সারাদিন দলটাই দেখব। এমনি আমি রোজ এই পার্টি অফিসে বসি, কর্মীদের সঙ্গে দেখা করি। এবার থেকে আরও বেশি সময় দেব। এছাড়া কাজ চালাতে সুবিধার জন্য দু’জন সাধারণ সম্পাদক ঠিক করেছি। মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষ হবেন সাধারণ সম্পাদক। তাঁরা এই কাজে আমাকে সাহায্য করবেন।”

শুক্রবার মেট্রোপলিটানে তৃণমূলের কার্যালয়টি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা রীতিমতো দখল করে নেন। পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্যে বড়সড় তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। যখন এই ঘটনা ঘটে, সেসময় এই ভবনে থাকার কথা দলের তৎকালীন রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের। কিন্তু তাঁকে ভবন দখল প্রতিরোধে দেখা যায়নি। বরং খবর পেয়ে কুণাল ঘোষ, মদন মিত্ররা ছুটে গিয়েছিলেন সেখানে। রাত পর্যন্ত ছিলেন। প্রগতি ময়দান থানায় দখলদারির বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেছেন। বিস্তারিত ঘটনা শুনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চন্দ্রিমার কাছে জবাবদিহি চান। কেন তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠল? এই ‘অভিমানে’ শনিবার তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত পদ ছেড়ে দেন চন্দ্রিমা। দুপুরে বিধানসভায় গিয়ে ঋতব্রতদের সঙ্গে বৈঠকও করেন। এরপরই বিকেলে কালীঘাটের দলীয় কার্যালয় থেকে ফেসবুক লাইভ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংগঠনে রদবদলের ঘোষণা করেন।

Advertisement

মমতার কথায়, ‘‘কে ছেড়ে গেল, তাতে কিছু যায় আসে না। আমি নেতা চাই না, সাধারণ কর্মী চাই। দলের রাজ্য সংগঠনটাও এখন আমি চালাব। আপাতত সারাদিন দলটাই দেখব। এমনি আমি রোজ এই পার্টি অফিসে বসি, কর্মীদের সঙ্গে দেখা করি। এবার থেকে আরও বেশি সময় দেব। এছাড়া কাজ চালাতে সুবিধার জন্য দু’জন রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ঠিক করেছি। মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষ হবেন রাজ্য সাধারণ সম্পাদক। তাঁরা এই কাজে আমাকে সাহায্য করবেন।” যদিও মদন মিত্র দমদম সাংগঠনিক জেলা সভাপতিও। এবার তাঁর দায়িত্ব আরও বাড়ল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.