ধীমান রক্ষিত: কসবা কাণ্ডের (Kasba case) জের! কলেজের অস্থায়ী কর্মীর পদ থেকে বরখাস্ত মনোজিৎ মিশ্র। অভিযুক্ত দুই ছাত্রকেও বরখাস্ত করার সুপারিশ করে শিক্ষাদপ্তর। সেই মতো তিনজনের বিরুদ্ধেই উপযুক্ত পদক্ষেপ করে কলেজ পরিচালন সমিতি। ইতিমধ্যে তিনজনই গ্রেপ্তার হয়েছে।
গত শুক্রবার সকাল থেকে কসবার আইন কলেজে গণধর্ষণের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। নির্যাতিতা দাবি করেন, বুধবার সন্ধ্যায় তাঁকে ডাকা হয়েছিল কলেজে। অভিযোগ, তিনি সেখানে গেলে তাঁর উপর চড়াও হন তিনজন। গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। কাউকে কিছু না বলতে হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে ওই ছাত্রী কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই সূত্র ধরে তিনজনকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চলছে তদন্ত।
উল্লেখ্য, মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ কলেজেরই অস্থায়ী কর্মী ছিল। ৪২ দিন কাজ করেছে। তাকে সেই পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। ঘৃন্য অপরাধে তার দুই সঙ্গী হিসেবে অভিযুক্ত প্রমিত মুখোপাধ্যায় ও জাইব আহমেদ কলেজেরই পড়ুয়া। তাদেরও বরখাস্ত করেছে পরিচালন সমিতি। ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে ডিএনএ সংগ্রহ করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদিন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে তাদের শারীরিক পরীক্ষাও করা হয়।
সর্বশেষ খবর
-
‘ইসলামই শ্রেষ্ঠ’, মন্তব্য কর্নাটকের মন্ত্রীর, হিন্দু ধর্মকে হেয় করার অভিযোগ বিজেপির
-
ঠোঁটে সারাক্ষণ কৃষ্ণনাম, সাধু বেশে আশ্রয় নিয়ে একের পর এক মঠে লুট! তারপর…
-
নেপালের দুর্যোগে ভাসবে উত্তরপ্রদেশ? ফুঁসছে নারায়ণী-গণ্ডক, প্লাবনের শঙ্কায় সতর্কতা একাধিক জেলায়
-
পাথর হয়েছিল পিত্তথলিতে, অস্ত্রোপচার হল অ্যাপেনডিক্স! কাঠগড়ায় এনআরএস হাসপাতাল
-
হবু স্ত্রী ইউরোপের রাজকন্যা! বিলাওয়াল ভুট্টোর বিয়ে নিয়ে জল্পনা, কী বলছে পাকিস্তান পিপলস পার্টি?