২০০৭ সালে বারাকপুরে (Barrackpore) খুন হয়েছিলেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী। এরপরই ৩ অভিযুক্ত সিধু সিং, বিকাশ সিং ও বিশ্বজিৎ গুহকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে হদিশ মেলেনি মূল অভিযুক্ত শিবু কুমার সিংয়ের। ১৯ বছর পর উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) গোরক্ষপুরের গোপন আস্তানা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই।
ঘটনাটি ঠিক কী? চিড়িয়ামোড়ের বাসিন্দা ছিলেন পেশায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুকান্ত ঘোষ। ২০০৭ সালের ৬ জুলাই ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। স্ত্রীকে বলে যান, ব্যবসার কাজে যাচ্ছেন। পরের দিন লাটবাগানের জহর কুঞ্জের কাছ থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয় তাঁর। দেহে আঠেরটি কোপানোর দাগ ছিল। অভিযোগ ওঠে, স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছে বিপুল টাকা দাবি করেছিলেন এক সিপিএম বিধায়ক ও তাঁর শাগরেদরা। ব্যবসায়ী তা দিতে রাজি হননি। সেই কারণেই নাকি খুন করা হয়। এরপরই ৩ অভিযুক্ত সিধু সিং, বিকাশ সিং ও বিশ্বজিৎ গুহকে গ্রেপ্তার করা হয়। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ২০০৯ সালে তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই। হাইকোর্ট সিবিআইকে সিট তৈরির নির্দেশ দেয়। দীর্ঘ তদন্তের পর সিবিআই এই খুনের ঘটনায় ২০১১ সালে ১৪ নভেম্বর সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করে। তাতে শিবু কুমার সিং ও আরও তিনজনের নাম ছিল।
আরও পড়ুন:
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে শিবু কুমার সিংকে পলাতক ঘোষণা করা হয়। খুনের ঘটনার ১৯ বছর পর মূল অভিযুক্তের হদিশ পেল সিবিআই। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের রায়গঞ্জ রোডে সাউথ গান্ধী আশ্রম এলাকার গোপন আস্তানা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় শিবু কুমার সিংকে। জানা গিয়েছে, ধৃত এত বছর ধরে অখিলেশ কুমার শাহি নামে পরিচয় গোপন করে বসবাস করছিলেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অগ্রিম ৫ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! জনতার দরবারে লেকটাউনের মহিলা
-
কমনওয়েলথ গেমসে ইতিহাস, সোনার মেয়ে অস্মিতাকে জমি, আর্থিক পুরস্কার দিল ত্রিপুরা সরকার
-
স্বাধীনতা দিবসে লোকভবনে আমন্ত্রিত ৪ হাজার, অনুষ্ঠানে অন্য ৫ রাজ্যও, নবান্নের গুচ্ছ গাইডলাইন
-
সুজিতের অ্যাকাউন্টে নিয়োগ দুর্নীতির ৮ কোটিরও বেশি টাকা, হাই কোর্টে চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির
-
সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে মোবাইল ভাঙে জঙ্গি রানা! নোটবুক হাতড়ে খোঁজ মিলল ৬ পাক চরের