Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
LPG Price Hike

একধাক্কায় অনেকটা বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম, কলকাতায় কত খরচ?

গেরস্থ ঘরে যেকোনও ভাবে রান্নার গ্যাস মজুত করে রাখার প্রবণতার কথা মাথায় রেখে সরকারের নির্দেশ, গ্যাস বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ২১ দিনের ব্যবধান থাকতে হবে। অর্থাৎ একটি গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়ার ২১ দিন না হলে দ্বিতীয়টির বুকিং করা যাবে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ১৩:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ১৩:২৫

options
link
একধাক্কায় অনেকটা বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম, কলকাতায় কত খরচ? zoom
গ্যাসের সিলিন্ডার না পেয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা বেজে ওঠার মধ্যেই অচিরেই দেশে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় এমার্জেন্সি বা জরুরিকালীন ক্ষমতা (এসমা) জারি করল কেন্দ্র। সব তেল কোম্পানিগুলিকে ঘরোয়া বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য এলপিজি বা রান্নার গ্যাসের উৎপাদন চাঙ্গা রাখতে বলা হয়েছে। এছাড়া শুক্রবার রাতেই ১৪.২ কেজি ওজনের বাড়িতে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম কেন্দ্র ৬০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে (LPG Price Hike)। ৮৭৯ টাকার গ্যাস এবার কিনতে হবে ৯৩৯ টাকায়। নতুন দাম শনিবার থেকেই চালু হবে।

গেরস্থ ঘরে যেকোনও ভাবে রান্নার গ্যাস মজুত করে রাখার প্রবণতার কথা মাথায় রেখে সরকারের নির্দেশ, গ্যাস বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ২১ দিনের ব্যবধান থাকতে হবে। অর্থাৎ একটি গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়ার ২১ দিন না হলে দ্বিতীয়টির বুকিং করা যাবে না। বর্তমানে ১৫ দিনের সময়সীমা রয়েছে। সাপ্লাইয়ের ঘাটতির আশঙ্কায় প্যানিক বুকিং যাতে না হয়, মজুত এলপিজি ভাণ্ডারে ভারসাম্য থাকে, সেজন্যই এমন পদক্ষেপ। বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ১১৪ টাকা ৫০ পয়সা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৯৯০ টাকা। বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে রেস্তরায় খাওয়ার খরচ বাড়বে।

Advertisement

কোপ পড়তে পারে বাণিজ্যিক গ্যাসের জোগানেও। আর তাতে সমস্যা নেমে আসতে পারে হোটেল, রেস্টুরেন্ট থেকে রাস্তার পাইস হোটেলগুলোয়। কারণ এদের সব কিচেনেই ধোঁয়া ওঠে বাণিজ্যিক গ্যাসে। যে কারণে আগামিদিনে ছোট-বড় সব হোটেলই গ্যাস পেতে সমস্যায় পড়তে পারে। জানা গিয়েছে, তেল কোম্পানিগুলো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যে পরিমাণ গ্যাস সিলিন্ডার রয়েছে, তা দিয়ে আগে ডোমেস্টিক সিলিন্ডারের চাহিদা মেটানো হবে। তারপর বাড়তি থাকলে সেক্ষেত্রে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার দেওয়া হবে। তেল কোম্পানিগুলোর প্রাথমিক লক্ষ্য, কারও বাড়ির হেঁশেলে যাতে গ্যাসের সমস্যা না হয়, সেদিকে নজর দেওয়া। কিন্তু যেভাবে যুদ্ধের মেয়াদ বাড়ছে, তাতে গ্যাসের জোগান নিয়ে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.