অপরাধীর সন্ধানে দেশের ‘ক্রাইম্যাক’-এর নেটওয়ার্কে এবার কলকাতা পুলিশও। তার ফলে কলকাতার কোনও অপরাধী দেশের কোনও জায়গায় পালালেও তার হদিশ পাওয়া আরও সহজ হবে পুলিশের পক্ষে। সম্প্রতি পুলিশ আধিকারিকদের ক্রাইম্যাকে যুক্ত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে লালবাজার (Lalbazar)।
পুলিশ জানিয়েছে, ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর আওতায় ক্রাইম মাল্টি এজেন্সি সেন্টার বা ক্রাইম্যাকের মাধ্যমে সারা দেশের অপরাধ ও অপরাধীদের ব্যাপারে তথ্যের আদানপ্রদান করে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা। অনেক সময়ই বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশের মধ্যে যোগাযোগ থাকে না। আবার কেন্দ্রীয় এজেন্সির সঙ্গেও পুলিশের যোগাযোগের ক্ষেত্রে ফাঁক থেকে যায়। সেই ফাঁক যাতে না থাকে, তার জন্যই কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের আধিকারিকদের এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার ব্যাপারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
লালবাজারের পক্ষ থেকে ডিভিশন ও অন্যান্য বিভাগের ডিসি ও থানার আধিকারিকদের বলা হয়েছে, আইসিজেএস ক্রেডেনশিয়াল, যা একমাত্র পুলিশই ব্যবহার করতে পারে, তারই মাধ্যমে লগ ইন করতে। দিনে একবার বা প্রয়োজনে একবারের বেশি সময়ের জন্যও ক্রাইম্যাক পোর্টাল লগ ইন করে কাজ করতে। এই পোর্টালের মাধ্যমে পুলিশ একসঙ্গে একাধিক ব্যক্তিকে মেসেজ বা মেল পাঠাতে পারে। ‘সার্চ অপশন’-এ ক্লিক করে তথ্য জেনেও নেওয়া যেতে পারে।
লালবাজারের নির্দেশ, প্রত্যেক থানার আধিকারিক যেন এই ক্রাইম্যাক পোর্টাল ব্যবহার করেন। এই পোর্টালের মাধ্যমে প্রয়োজনে দেশের যে কোনও থানার আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। এর ফলে দেশের যে কোনও বড় মামলা বা ঘটনার তদন্ত সংক্রান্ত তথ্য জানতে পারবেন তাঁরা।
আন্তঃরাজ্য অপরাধীদের গ্রেপ্তারের ব্যাপারেও এই তথ্য পুলিশকে সাহায্য করবে। কলকাতা থেকে কোনও অপরাধী বাইরের কোনও শহরে লুকিয়ে থাকলে অথবা অন্য শহরের কোনও অপরাধী কলকাতায় গা ঢাকা দিয়ে থাকলে তাদের সন্ধান পাওয়া বা চিহ্নিত করার ক্ষেত্রেও সুবিধাজনক হতে পারে। কোনও রাজ্য বা শহরের পুলিশ অপরাধীদের কাছ থেকে কিছু উদ্ধার করলে তা জানা ও সেই তদন্তকে সাহায্য করাও সম্ভব হবে। জাতীয় স্তরে কোনও হাই অ্যালার্ট জারি করলে এই ক্রাইম্যাকের মাধ্যমেই পুলিশ সেই তথ্য জানতে পারবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভারী খাবারে পেট ফেঁপে যায়? ‘ডায়জেস্টিভ টি’-তে মিলবে সমাধান, জানাচ্ছেন সোহা আলি খান
-
বাংলাদেশ ক্রিকেটে ইতিহাস, অস্ট্রেলিয়াকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই টেস্ট হারালেন টাইগাররা
-
সিলিং থেকে ঝুলছে ইঞ্জিনিয়ার, পাশে স্ত্রীর দেহ! মাকে পাঠানো শেষ ভয়েস মেসেজে কী বলেছিলেন যুবক?
-
‘গান না কন্ডোমের বিজ্ঞাপন?’ বিতর্ক উসকে ‘টক্সিক’ যশের খোঁচা, ‘প্রয়োজনে করব কিন্তু…’
-
‘সামাজিক কলঙ্কের ভয়’, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি কালীঘাট তৃণমূলের, ‘অন্য গন্ধ’ পাচ্ছেন বিজেপি বিধায়কও