Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Dharmatala

সরল ধর্মতলার শতাব্দীপ্রাচীন ‘এল ২০ বাসস্ট্যান্ড’, এবার বাস ধরবেন কোথা থেকে?

জানেন কেন সরানো দীর্ঘদিনের পুরনো এই বাসস্ট্যান্ড?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৮:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৮:০৯

options
link
সরল ধর্মতলার শতাব্দীপ্রাচীন ‘এল ২০ বাসস্ট্যান্ড’, এবার বাস ধরবেন কোথা থেকে? zoom
ধর্মতলার শতাব্দীপ্রাচীন 'এল ২০ বাসস্ট্যান্ড'।

মেট্রোর কাজের জন্য সরে গেল ধর্মতলার শতাব্দীপ্রাচীন ‘এল ২০ বাসস্ট্যান্ড’। ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর এসপ্ল্যানেড স্টেশনের কাছে তৈরি হয়েছে নয়া স্ট্যান্ড। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এসবিএসটিসি, এনবিএসটিসি মিলিয়ে প্রায় ২০০ বাস এই নতুন স্ট্যান্ড থেকে ছাড়বে। জোকা-এসপ্ল্যানেড মেট্রোপথের এসপ্ল্যানেড স্টেশন তৈরির জন্য এই বাসস্ট্যান্ড সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল। ফলে যাত্রীরা ধর্মতলার পুরনো এল ২০ বাসস্ট্যান্ড থেকে আর বাস ধরতে পারবেন না। তাঁদের যেতে হবে উলটোদিকে ‘ধর্মতলা সরকারি বাসস্ট্যান্ডে’।

ধর্মতলার শতাব্দীপ্রাচীন ‘এল ২০ বাসস্ট্যান্ড’।

আলোয় সেজে উঠেছে নয়া স্ট্যান্ড। যাত্রীদের জন্য ওয়েটিং রুম থেকে ফুডকোর্ট, শৌচাগার, শেড, এসি কাউন্টার, সবই তৈরি হয়ে গিয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, চারহাজার বর্গমিটার জায়গায় এই স্ট্যান্ড তৈরি হচ্ছে। বিধান মার্কেট এবং ‘এল-২০’ বাসস্ট্যান্ডের এলাকায় মেট্রোর কাজ চলবে। সে কারণেই এই দুই জায়গা স্থানান্তর করা হবে। এই এলাকায় নিউ গড়িয়া-দক্ষিণেশ্বর, হাওড়া ময়দান-সেক্টর ফাইভ এবং জোকা-এসপ্ল্যানেড তিন মেট্রো মিলিত হবে। তিনতলা স্টেশন হবে। যাত্রীরা এক মেট্রো থেকে নেমে অন্য মেট্রোয় উঠতে পারবেন। ফলে চলবে বিরাট কর্মকাণ্ড। আর সেকারণেই সরে গেল এই বাসস্ট্যান্ড।

Advertisement

তবে এই এলাকা থেকে ছাড়া বেসরকারি বাস কবে সরবে তা এখনও ঠিক হয়নি। শুধু এই বাসস্ট্যান্ড নয়, সরিয়ে ফেলা হবে বিধান মার্কেটও। রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ ও সিধু কানহো ডহরের মাঝামাঝি জায়গায় নির্মাণ হচ্ছে বিধান মার্কেটের দোকানঘর। দোতলা বিল্ডিং তৈরি করা হবে বলে জানানো হয়েছে। সেখানে শুধু দোকানঘর নয়, ফুড কোর্ট, পার্কিং লট, শৌচাগারও থাকবে বলে জানানো হয়েছে। নয়া বাসস্ট্যান্ড তৈরির যাবতীয় খরচ বহন করছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। গত বছরের ডিসেম্বরেই এই বাসস্ট্যান্ড স্থানান্তরের কথা ছিল। কিন্তু পুলিশ পরিবহণ দপ্তরকে জানিয়েছিল, ওই বাসস্ট্যান্ডটিতে আরেকটি এমার্জেন্সি এক্সিট রাখতে। কারণ রানি রাসমণি রোডে নানা সময় মিটিং, মিছিল হয়। ফলে অবরুদ্ধ হয়ে পড়তে পারে রাস্তা। তখন বাস ঢোকা-বেরনোয় সমস্যা হবে। তারপর সব পক্ষের ছাড়পত্র নিয়ে একটি এমার্জেন্সি এক্সিট তৈরি করা হয়েছে। তারপরই চালু হয়ে গেল এই স্ট্যান্ড।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.