Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬
Kolkata

অঙ্ক পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় অবসাদ, চরম সিদ্ধান্ত কলকাতার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর

গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে সিলিং ফ্যান থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে ঝুলতে দেখা যায়।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ২০:০৫

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ২০:০৫

options
link
অঙ্ক পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় অবসাদ, চরম সিদ্ধান্ত কলকাতার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর zoom
অঙ্ক পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় চরম সিদ্ধান্ত কলকাতার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর। ফাইল ছবি
Advertisement

মাধ্যমিক পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে সারাবছর শুধু বইখাতা নিয়েই সময় কাটাত। অন্যান্য পরীক্ষা ভালোই হয়েছিল। শুধু গণ্ডগোল হয় অঙ্ক পরীক্ষায়। তারপর থেকে মনমরা হয়েছিল। আর সেই অবসাদে চরম সিদ্ধান্ত তপসিয়ার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর। গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয় সে।

তপসিয়া থানার মহেন্দ্র রায় লেনের বহুতলের বাসিন্দা ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। বাড়িতে বাবা, মা, বোন এবং ঠাকুমা ছিল তার। বৃহস্পতিবার বাবা-মা দু’জনেই বেরিয়ে যান। একঘরে ছিলেন ঠাকুমা ও বোন। পাশের ঘরে ঢুকে ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেয় ছাত্রী। বোন কিংবা ঠাকুমা কেউ আর তাকে ডাকাডাকি করেনি। সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পর বাবা-মা খোঁজ নেন বড়মেয়ের। তখন দেখা যায় ভিতর থেকে ঘরের দরজা বন্ধ করে রয়েছে সে। বারবার দরজা ধাক্কা দিয়ে ডাকাডাকি করা হয়। দীর্ঘক্ষণ সাড়া না দেওয়ায় সন্দেহ হয়। ধাক্কা দিয়ে দরজা খোলা হয়। ঘরের ভিতরে ঢুকে তাজ্জব হয়ে যান পড়ুয়ার বাবা-মা। তাঁরা দেখেন, গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলছে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর দেহ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তড়িঘড়ি ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। নিয়ে যাওয়া হয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। তবে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে জানান। মৃতের পরিবারের লোকজন জানান, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখেনি ছাত্রী। তা সত্ত্বেও অঙ্ক পরীক্ষা মনমতো হয়নি। পরীক্ষার পর বাড়ি ফিরে কান্নাকাটি করে। বারবার পরিবারের তরফে বোঝানো হয়। তারপরেও মনমরা হয়ে থাকত কিশোরী। আর তার জেরেই এমন চরম সিদ্ধান্ত নেয় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন কিশোরীর বাবা-মা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে পড়ুয়াদের চাপ অনেক বেশি। ছোট থেকেই যেন ইঁদুরদৌড়ে শামিল তারা। পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কায় বহু বাবা-মা তাদের সন্তানকে বকাঝকা করেন। আর তার ফলে ভীতি তৈরি হয় সন্তানের মনে। যা সহজেই অবসাদের রূপ নেয়। তাই ‘ব্যর্থ’ সন্তানকে বকাঝকা নয়। সস্নেহে বুকে আগলে রাখুন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.