পোলিও নির্মূল করতে কেন্দ্রীয় সরকার ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন ডে কর্মসূচি চালায়। যেখানে পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের পোলিও ড্রপ খাওয়ানো হয়। স্বাস্থ্যদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি জাতীয় পোলিও টিকাকরণ কর্মসূচিতে কলকাতার ৪ লক্ষ ৫৩ হাজার ৬৬৪ শিশুকে পোলিও টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এ বছর জুন মাসে ‘বুথ ডে’-তে মাত্র ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৮৮৪ জন শিশুকে পোলিও টিকা খাওয়ানো গিয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় মাত্র ৪২ শতাংশ।
কেন এত ঢিলেঢালা অবস্থা শহর কলকাতায়? জনস্বাস্থ্য আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কলকাতার ধনী-উচ্চবিত্ত পরিবারগুলি পোলিও টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে এখনও উদাসীন। দ্বিতীয়ত, শহর কলকাতার শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ পোলিও টিকা নেওয়ার বিষয়ে অভিভাবকদের গুরুত্ব সহকারে বোঝাতে ব্যর্থ। কলকাতার তুলনায় হাওড়া এমনকী শৈলশহর দার্জিলিংও পোলিও টিকাকরণে চলনসই টার্গেট পূরণ করেছে। ওই দুই জেলায় ৬৭ শতাংশ শিশুকে টিকাকরণের আওতায় আনা গিয়েছে। তবে পোলিও টিকাকরণ পর্যাপ্ত নয় পশ্চিম বর্ধমান, দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। ওই দুই জেলায় পোলিও টিকাকরণ হয়েছে ৬৫ শতাংশ শিশুর।
আরও পড়ুন:
শহর কলকাতা ঢিলঢালা হলেও এগিয়ে জেলা। সেরার আসনে বসিরহাট। বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলায় ২ লক্ষ ৭ হাজার ৪৮৭ জন শিশুকে পোলিও টিকা খাওয়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল। লক্ষ্যমাত্রার ৮৮ শতাংশ টিকাকরণ হয়েছে। সফলতায় দ্বিতীয় স্থানে দক্ষিণ দিনাজপুর (৮৭ শতাংশ), তৃতীয় স্থানে বাঁকুড়া (৮৬ শতাংশ) চতুর্থ স্থানে যুগ্মভাবে রয়েছে নদিয়া ও বিষ্ণুপুর স্বাস্থ্য জেলা (৮৫ শতাংশ)।
স্বাস্থ্যদপ্তরের তুলনামূলক রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ২০২৬ সালের জুন পর্বে ২৮টি জেলা মিলিয়ে ৮৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৫১৪ জন শিশুকে পোলিও টিকা দেওয়ার লক্ষ্য থাকলেও ‘বুথ ডে’-তে টিকা পেয়েছে ৬৩ লক্ষ ২৬ হাজার ৯৫৬ জন। বাংলার ২৮টি জেলা মিলিয়ে গড়ে ৭৫ শতাংশ শিশু টিকা পেয়েছে। কোচবিহার ও হুগলিতে ৭২ শতাংশ টিকার হার।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
গাফিলতিতে ঢোকেনি অন্নপূর্ণার টাকা! ধূপগুড়ি পুরসভার ৩২ কর্মীকে শোকজ মহকুমা শাসকের
-
আরেকটু হাত বাড়ানোর কথা বলে ঋতুপর্ণা-অমর্ত্যর ‘নেভার মাইন্ড’, পড়ুন রিভিউ
-
জলা বুজিয়ে কার্যালয়, নিরাপত্তারক্ষী থেকে তৃণমূল নেতা হয়ে কোটি টাকার সম্পত্তি! পলাতক শিবদাস
-
জগন্নাথ মন্দিরের ২৬ লাখের দানপাত্র ‘লুট’, দেবরাজের অত্যাচারে নিঃস্ব অশীতিপর বৃদ্ধ
-
‘টুকলি না করে ডাক্তার হওয়া যায় না?’, রিয়ালিটি শোয়ে নিটের প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে কটাক্ষ সময়ের