Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Kolkata Police

নাগাল্যান্ডের ভুয়ো লাইসেন্সে কেনা পিস্তল দেখিয়ে তাণ্ডব চালাত মিনি ফিরোজ, উদ্ধার সেই ‘বিদেশি’ পিস্তল

একাধিক বুলেট-সহ আরও তিনটি পিস্তল ও ওয়ান শটার উদ্ধার করেছে পুলিশ। কাদের কাছ থেকে মিনি ফিরোজ ও তার সঙ্গীরা এই অস্ত্রের সম্ভার তৈরি করেছিল, তা জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ২৩:৪৭

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ২৩:৪৭

options
link
নাগাল্যান্ডের ভুয়ো লাইসেন্সে কেনা পিস্তল দেখিয়ে তাণ্ডব চালাত মিনি ফিরোজ, উদ্ধার সেই ‘বিদেশি’ পিস্তল zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

নাগাল‌্যান্ডের ভুয়ো লাইসেন্সে কেনা ‘বিদেশি’ নাইন এমএম পিস্তল নিয়েই তাণ্ডব চালাত পূর্ব কলকাতার ত্রাস মিনি ফিরোজ। ফিরোজকে গ্রেপ্তার করার পর তার কাছ থেকে ম‌্যাগাজিন-সহ সেই পিস্তলটি উদ্ধার করেছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। নাগাল‌্যান্ডের ওই ভুয়ো অস্ত্রের লাইসেন্স দেখিয়ে সে প্রচুর বুলেটও কিনেছিল। সেই বুলেটগুলি বেআইনি মুঙ্গেরি পিস্তলে ব‌্যবহার করার জন‌্য কাজে লাগাত বলে সন্দেহ গোয়েন্দা পুলিশের। এছাড়াও মিনি ফিরোজ ও তার এক সঙ্গীর কাছ থেকে একাধিক বুলেট-সহ আরও তিনটি পিস্তল ও ওয়ান শটার উদ্ধার করেছে পুলিশ। কাদের কাছ থেকে মিনি ফিরোজ ও তার সঙ্গীরা এই অস্ত্রের সম্ভার তৈরি করেছিল, তা জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।

তপসিয়া, আনন্দপুর-সহ পূর্ব কলকাতার বিভিন্ন থানা এলাকায় ৩৭টি মামলা রয়েছে ওই এলাকার ত্রাস তথা স্বঘোষিত ‘বেতাজ বাদশা’ মিনি ফিরোজের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে একের পর এক খুনের চেষ্টা, মারধর, তোলাবাজি, অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে। গোয়েন্দারা তদন্ত করে জানতে পারেন যে, মিনি ফিরোজ এলাকার ব‌্যবসায়ী, প্রোমোটারদের ভয় দেখানোর সময় একটি নাইন এমএম পিস্তল ব‌্যবহার করত। সে তাঁদের এ-ও বলত যে, এই পিস্তল নকল নয়, আসল। এ ছাড়াও তার সঙ্গীদের হাতে থাকত বেআইনি মুঙ্গেরি পিস্তল ও ওয়ান শটার। গত কয়েক মাস আগেই বেগতিক বুঝে শহর ছেড়েছিল মিনি ফিরোজ। পালিয়ে গিয়েছিল বিহারে। মোবাইল বন্ধ করে বিহারের একাধিক জায়গায় গা ঢাকা দিয়েছিল সে। কলকাতায় আসার পথে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে ফিরোজ গ্রেপ্তার হয়।

Advertisement

তাকে গ্রেপ্তার করার পরই তার বাড়ি ও আরও কয়েকটি ডেরায় গোয়েন্দা পুলিশ তল্লাশি চালায়। তাতেই উদ্ধার হয় ওই নাইন এমএম পিস্তলটি। একই সঙ্গে উদ্ধার হয় নাগাল‌্যান্ডের একটি ভুয়ো লাইসেন্স। ওই লাইসেন্সে মিনি ফিরোজের নাম থাকলেও নাগাল‌্যান্ডের ভুয়ো ঠিকানা ব‌্যবহার করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে সে নাগাল‌্যান্ডের ভুয়ো পরিচয়পত্রও তৈরি করিয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই লাইসেন্স দেখিয়ে সে কলকাতার একটি দোকান থেকেই অস্ত্র কিনেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই দোকানের সঙ্গে লালবাজারের গোয়েন্দারা যোগাযোগ করছেন। গোয়েন্দারা জেনেছেন, ওই নাইন এমএম পিস্তলটি জোগাড় করার পিছনে অন‌্য উদ্দেশ‌্য ছিল মিনি ফিরোজের। কারণ, নাগাল‌্যান্ডের ওই লাইসেন্স দেখিয়ে সে দোকান থেকে বুলেট কিনত। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, নাইন এমএম পিস্তলের প্রচুর বুলেট কিনলেও তার মধ্যে একটি বড় অংশ সে ব‌্যবহার করত বেআইনি মুঙ্গেরি পিস্তলে। তোলাবাজি, ভয় দেখানোর জন‌্য ওই মুঙ্গেরি অস্ত্রগুলি মিনি ফিরোজ ও তার সঙ্গীরা ব‌্যবহার করত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.