Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Garga Chatterjee Arrested

গ্রেপ্তার বাংলা পক্ষের প্রতিষ্ঠাতা গর্গ চট্টোপাধ্যায়

শোনা গিয়েছে, ইভিএম সংক্রান্ত গুজব ছড়িয়ে একটি পোস্ট করেন গর্গ, সেই কারণে গ্রেপ্তারি।

Advertisement
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৬, ২০:৩০

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৬, ২০:৩০

options
link
গ্রেপ্তার বাংলা পক্ষের প্রতিষ্ঠাতা গর্গ চট্টোপাধ্যায় zoom
কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার বাংলা পক্ষের প্রতিষ্ঠাতা গর্গ চট্টোপাধ্যায়

ভোটের সময় ইভিএম নিয়ে গুজব ছড়ানো, প্ররোচনার অভিযোগ। সোশাল মিডিয়ায় এই সংক্রান্ত পোস্টের জেরে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার বাংলা পক্ষের প্রতিষ্ঠাতা গর্গ চট্টোপাধ্যায় (Garga Chatterjee Arrested)। সাইবার ক্রাইম থানা তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গিয়েছে। দেশপ্রিয় পার্ক সংলগ্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার গর্গকে পেশ করা হবে আদালতে। এনিয়ে বাংলা পক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, তাদের সাধারণ সম্পাদক, অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়েছে। পুলিশের সিজার লিস্টে কোনও কার্তুজ বা অস্ত্রের উল্লেখ নেই। 

পুলিশ সূত্রে খবর, ইভিএমে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন গর্গ। ২৩ এপ্রিল অর্থাৎ প্রথম দফা ভোটের দিন বহু কেন্দ্রে ইভিএম বিভ্রাটের জেরে ভোট শুরু হতে দেরি হয়। এনিয়ে গর্গ ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন তুলেছিলেন, রাতে সব পরীক্ষা করে রাখার পরও কেন সকাল ইভিএমে বিভ্রাট হল? ভোটারদের প্রতি তাঁর পরামর্শ ছিল, ভোট দিয়ে বেরনোর সময় ভিভিপ্যাট স্লিপ ভালো করে দেখে নিতে হবে। গণনার দিন আবার গর্গ চট্টোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে পোস্ট করেছিলেন, কমিশন গোপন পরিকল্পনা করছে। 

গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, ভোটের দিন তিনি ইভিএম নিয়ে ভুয়ো প্রচার করেছিলেন। এ বিষয়ে তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন কলকাতা উত্তরের ডিইও। তার ভিত্তিতেই মঙ্গলবার গর্গকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম থানার আধিকারিকরা। পুলিশ সূত্রে খবর, ইভিএমে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন গর্গ। ২৩ এপ্রিল অর্থাৎ প্রথম দফা ভোটের দিন বহু কেন্দ্রে ইভিএম বিভ্রাটের জেরে ভোট শুরু হতে দেরি হয়। এনিয়ে গর্গ ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন তুলেছিলেন, রাতে সব পরীক্ষা করে রাখার পরও কেন সকাল ইভিএমে বিভ্রাট হল? ভোটারদের প্রতি তাঁর পরামর্শ ছিল, ভোট দিয়ে বেরনোর সময় ভিভিপ্যাট স্লিপ ভালো করে দেখে নিতে হবে। গণনার দিন আবার গর্গ চট্টোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে পোস্ট করেছিলেন, কমিশন গোপন পরিকল্পনা করছে।

Advertisement

নির্বাচন পর্বে এত রকমের পোস্ট করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম বিভাগের দ্বারস্থ হয়েছিলেন উত্তর কলকাতার দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচনী আধিকারিক ডিইও। তার ভিত্তিতে মঙ্গলবার গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করা হল। সূত্রের খবর, আজ রাতে তাঁকে লালবাজারের লক-আপে কাটাতে হবে। বুধবার তাঁকে পেশ করা হবে আদালতে।  গর্গর গ্রেপ্তারির প্রতিবাদ করেছে এসইউসিআই। দলের রাজ্য সম্পাদক চণ্ডীদাস ভট্টাচার্যের বিবৃতি, ”গর্গ চট্টোপাধ্যায় সাম্প্রতিক নির্বাচনের ভোটগণনায় ইভিএম-কারচুপির তীব্র আশঙ্কা ব্যক্ত করার কারণে তার গ্রেপ্তারির আমরা তীব্র প্রতিবাদ করছি। সরকারের এই ধরনের পদক্ষেপ গণতন্ত্রের পক্ষে অশনি সংকেত ছাড়া আর কিছু নয়। আমরা এই অগণতান্ত্রিক গ্রেপ্তারির বিরুদ্ধে গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের মুক্তি দাবি করছি।”

এনিয়ে বিকেলে লালবাজার থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা জানান, ‘‘ইভিএমে কারচুপি নিয়ে গর্গ চট্টোপাধ্যায় সোশাল মিডিয়ায় মানুষকে বিভ্রান্ত করে পোস্ট করেছিলেন।  রাজনৈতিক দলগুলোকে এর বিরুদ্ধে আন্দোলনের কথা বলেছিলেন। এনিয়ে আমাদের উত্তর কলকাতার ডিইও একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ওঁকে (গর্গ চট্টোপাধ্যায়) দু’বার নোটিস দিয়ে ডাকা হয়েছিল, উনি একবারও আসেননি। তাই আজ গ্রেপ্তার করা হল।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.