Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
ED

রাজসাক্ষী হতে চান! জমি দুর্নীতি মামলায় ইডি আদালতে আবেদন জয় কামদারের

প্রাক্তন ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস, সোনা পাপ্পুদের কুকীর্তির কথা ফাঁস করতে চান বেহালার ব্যবসায়ী।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ২৩:১০

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ২৩:১০

options
link
রাজসাক্ষী হতে চান! জমি দুর্নীতি মামলায় ইডি আদালতে আবেদন জয় কামদারের zoom
জমি দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদার রাজসাক্ষী হতে চান, ফাইল ছবি
Advertisement

জমি দুর্নীতি মামলায় বড় মোড়! অভিযুক্ত প্রাক্তন ডিসিপি, কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের যাবতীয় কুকীর্তি ফাঁস করতে এবার রাজসাক্ষী হতে চান এই মামলারই আরেক অভিযুক্ত – বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদার। এই মর্মে তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে আবেদন জানিয়েছেন বলে খবর। মামলাটির শুনানি চলাকালীন ইডি আদালতেও তিনি এই ইচ্ছের কথা প্রকাশ করেন। তবে ইডি তাঁর এই আবেদন গ্রহণ করবে কি না অথবা আদালত তা মঞ্জুর করবে কি না, তা বিবেচনাধীন। পরবর্তী শুনানিতে সম্ভবত তা জানা যাবে।

জয় কামদার সম্প্রতি নিজের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন ইডি আদালতে। একইসঙ্গে জামিনও চান। রাজসাক্ষী প্রসঙ্গে ইডি আদালতে জানায়, এই ইচ্ছাপ্রকাশের বিষয়ে তারা অবগত নন। বিবেচনার জন্য সময় দেওয়া হোক। ২৫ আগস্ট পর্যন্ত সেই সময় দেওয়া হয়েছে ইডিকে।

নির্বাচনের আগে থেকেই জমি দুর্নীতি মামলার কিনারা করতে নেমেছিল ইডি। কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের সূত্র ধরে বিরাট আর্থিক তছরূপ প্রকাশ্যে আসে। তাঁকে গ্রেপ্তারের পর মেলে বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদারের নাম। শান্তনু, জয় ও কসবার কুখ্যাত দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পু – এই ত্রিফলায় কলকাতা থেকে জেলা, সর্বত্র কোটি কোটি টাকার জমি দুর্নীতির খোঁজ পান ইডি আধিকারিকরা। তাঁর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে বিস্ফোরক সমস্ত তথ্য পান তদন্তকারীরা। আদালতে তা পেশ করা হয়। তাঁদের এই বিপুল অঙ্কের আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে হাওয়ালা যোগ স্পষ্ট বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। এমনকী মালয়েশিয়া, ব্রিটেন, দুবাইয়ের হাওয়ালা অপারেটরদের সঙ্গেও জয়ের কথাবার্তার যোগ পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি। সোনা পাপ্পুর সঙ্গে তাঁর কোটি কোটি টাকা ব্যাঙ্ক লেনদেনের কোনও উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি, এই দাবি করে ইডি। পরবর্তী সময়ে শান্তিনিকেতনে জয় ও শান্তনুর বিশাল রিয়েল এস্টেটের খোঁজ পান তদন্তকারীরা। সেসবই কালো টাকায় বেআইনিভাবে তৈরি।

Advertisement

এত অভিযোগের পর জয় কামদার সম্প্রতি নিজের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন ইডি আদালতে। একইসঙ্গে জামিনও চান। রাজসাক্ষী প্রসঙ্গে ইডি আদালতে জানায়, এই ইচ্ছাপ্রকাশের বিষয়ে তারা অবগত নন। বিবেচনার জন্য সময় দেওয়া হোক। ২৫ আগস্ট পর্যন্ত সেই সময় দেওয়া হয়েছে ইডিকে। শান্তনু, সোনা পাপ্পুদের অন্দরের খবর পেতে কি রাজসাক্ষী হিসেবে জয়কে বিশ্বাসযোগ্য মনে করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা? উত্তরের দিকে তাকিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.