অর্ণব আইচ: পাঁচদিনের মাথায় যাদবপুর কাণ্ডে দায়ের হল এফআইআর। তাতে নাম রয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, অধ্যাপক ওমপ্রকাশ মিশ্র ও শিক্ষামন্ত্রীর গাড়িচালকের। সূত্রের খবর, খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
গত ১ মার্চ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়েবকুপার বার্ষিক সাধারণ সভা ছিল। অভিযোগ, ওইদিন সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অশান্তি তৈরির চেষ্টা শুরু করে বাম ছাত্ররা। বেলার দিকে পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে থাকা তৃণমূলের শিক্ষাবন্ধু সমিতির অফিসেও ব্যাপক ভাঙচুর শুরু হয়। আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছলে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর গাড়ির চাকার হাওয়াও খুলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ধাক্কাধাক্কিতে চোট পান খোদ শিক্ষামন্ত্রী। জখম হন যাদবপুরের দুই ছাত্র। অভিযোগ ওঠে, শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির চাকায় আহত হয়েছেন ইন্দ্রানুজ নামে এক ছাত্র। পরবর্তীতে ওই ছাত্র যাদবপুর থানার দ্বারস্থ হলেও পুলিশ অভিযোগ নেয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। এরপরই বুধবার পুলিশকে ভর্ৎসনা করে কলকাতা হাই কোর্ট। ইন্দ্রানুজ রায়ের বিরুদ্ধে কেন এফআইআর দায়ের করা হল না, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি।
বুধবারই বিচারপতি বলেছিলেন, “যাদবপুরের ঘটনায় পুলিশ একপেশে তদন্ত করেছে। অথচ রাজ্যের উচিত ছিল অভিভাবকের মতো আচরণ করা।” হাই কোর্টের ভর্ৎসনার পরই যাদবপুর কাণ্ডে দায়ের হল এফআইআর। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
ঐতিহ্যের উইম্বলডনে চতুর্থ ভারতীয় হিসাবে নজির শুভমানের, শচীনের সঙ্গে ছবি ভাইরাল
-
দু’মাসেই বড় বদল! তৃণমূল জমানার ডামাডোল কাটিয়ে একগুচ্ছ কাজ বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থায়
-
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে তিকিতাকার জয়, সুপার সাব ম্যাজিকে বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিতে স্পেন
-
মাঝরাস্তায় ট্যাঙ্কার থেকে ইথানল চুরি! বর্ধমানে সক্রিয় বড়সড় চক্র, সতর্ক পুলিশও
-
পকেটের চাপে অভিভাবকত্বে ব্রেক! বাংলায় কমছে প্রজনন হার, সমীক্ষার ফলাফলে উদ্বেগ