শিলিগুড়িকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গ ও কলকাতায় আইএসআইয়ের ‘ঘাঁটি’ তথা ‘সেল’ তৈরি করছিল পাক চর রানা রউফ খালিদ। পাকিস্তানের ইসলামাবাদ থেকে এমনই নির্দেশ এসেছিল পাক চরদের ‘অ্যাসেট’ রানার কাছে। সেইমতো, চরবৃত্তির জন্য ‘এসপিওনেজ সেল’ তৈরি করে সোশাল মিডিয়া মারফত ও সরাসরি আইএসআই এজেন্ট নিয়োগ করছিল রানা। নেপালির এক তরুণীকে বিয়েও করেছিল সে।
কাঠমান্ডুতে বসে নেপালের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা পাঁচজন আইএসআই এজেন্টের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ কলে কথা বলে রানা। এই কাঠমান্ডুতেই সে শিলু নামে এক নেপালি মহিলাকে বিয়ে করেছিল রানা। নেপালের পাঁচ আইএসআই এজেন্টের মধ্যে কাশিফের নামে দু’টি নেপাল ও একটি শ্রীলঙ্কা, হানিফ চৌধুরীর নামে একটি নেপাল, সোহেলের নমে একটি পাকিস্তান, জেডি-র নামে একটি নেপাল ও হারুন সফদারের নামে বিদেশি সিমকার্ড রয়েছে।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, আইএসআইয়ের সদর দপ্তরে বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে শনিবারের মধ্যেই বাংলাদেশের ঢাকা থেকে সরাসরি বিমানে করাচি যাওয়ার ছক কষেছিল ওই পাক চর। এই ব্যাপারে তাকে সবরকমের সাহায্য করার কথা ছিল ঢাকার পাক দূতাবাসের এক আধিকারিকের। করাচি থেকে ইসলামাবাদের সেক্টর সেভেনে আইএসআইয়ের সদর দপ্তরে পৌঁছনোর কথা ছিল তার। ‘এসপিওনেজ সেল’ তৈরির রিপোর্টের সঙ্গে সঙ্গে এই রাজ্যে জঙ্গি মডিউলগুলিকে কীভাবে সক্রিয় করে তোলা যায়, কোনওভাবে সেনা ও সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফের ছাউনি বা শিবিরে জঙ্গি সংগঠনগুলিকে দিয়ে হামলা চালানো যায় কি না, সেই ব্যাপারেও আইএসআই আধিকারিকদের সঙ্গে রানার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। মঙ্গলবার রাতে বনগাঁ সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পালানোর আগে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থেকে গ্রেপ্তার হয় পাকিস্তানি যুবক রানা ও কলকাতা থেকে ধরা পড়ে তারই সঙ্গী মহম্মদ ইজাজ। এখনও পর্যন্ত সে কতগুলি ‘সেল’-এ কতজনকে নিয়োগ করেছে, তা জানতে রানাকে টানা জেরা করছেন রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের আধিকারিকরা।
গোয়েন্দারা জেনেছেন, তার আগে কাঠমান্ডুতে বসে নেপালের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা পাঁচজন আইএসআই এজেন্টের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ কলে কথা বলে সে। এই কাঠমান্ডুতেই সে শিলু নামে এক নেপালি মহিলাকে বিয়ে করেছিল রানা। নেপালের পাঁচ আইএসআই এজেন্টের মধ্যে কাশিফের নামে দু’টি নেপাল ও একটি শ্রীলঙ্কা, হানিফ চৌধুরীর নামে একটি নেপাল, সোহেলের নমে একটি পাকিস্তান, জেডি-র নামে একটি নেপাল ও হারুন সফদারের নামে বিদেশি সিমকার্ড রয়েছে। রানা নিজেও শিলিগুড়ি থেকে দু’টি সিমকার্ড সংগ্রহ করেছিল। যদিও তার মোবাইল সে নেপালেই ভেঙে ফেলে। এই ব্যাপারে শিলিগুড়ির কয়েকজন সিমকার্ড বিক্রেতাকে ইতিমধ্যেই গোয়েন্দারা জেরা করেছেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এলাচের নামে ‘নিষিদ্ধ’ পান মশলার বিজ্ঞাপন! আইনি নোটিস শাহরুখ-অজয়-টাইগারকে
-
বিমানবন্দরে চেকিংয়ের সময় যাত্রীর বন্দুক থেকে গুলি! আহত শিশু-সহ চার, চাঞ্চল্য বারাণসীতে
-
হাসিনাকে ঢাকার হাতে প্রত্যর্পণ? সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালতই, দু’দেশের আলোচনা তুঙ্গে
-
নদিয়ায় কংগ্রেস কর্মী ও ছেলে খুনে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতার স্ত্রী! রাজ্যে কালা দিবসের ডাক শুভঙ্করদের
-
‘বাড়ির দখল নিতে চাইছে’, ভাটপাড়ায় ব্যবসায়ীর বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি দুষ্কৃতীদের