নবেন্দ্যু হাজরা: পুজোর আগেই মেট্রোযাত্রীদের জন্য সুখবর। ব্যস্ত সময়ে ৮ মিনিটের বদলে ৬ মিনিট অন্তর চলবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো। বাড়ানো হচ্ছে ট্রিপের সংখ্যাও। এবার থেকে এই লাইনে সোম থেকে শনিবার প্রতিদিন ১৮৬টির বদলে ২২৬ ট্রিপ মেট্রো চলবে। শুক্রবার প্রেস বিজ্ঞপ্তি করে একথা জানিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। আজ শনিবার থেকেই এই বর্ধিত পরিষেবা চালু হবে।
তবে প্রথম এবং শেষ মেট্রোর সময়সূচিতে কোনও বদল হচ্ছে না। পাশাপাশি আগামীকাল রবিবার মহালয়া উপলক্ষে খুব ভোরেই চালু হয়ে যাবে মেট্রো। বাড়ানো হচ্ছে মেট্রোর সংখ্যাও। সাধারণ রবিবার ১০৪টি পরিষেবা থাকে এই লাইনে। তার বদলে আগামীকাল মোট ১৩৬টি পরিষেবা চালানো হবে। হাওড়া ময়দান স্টেশন থেকে প্রথম মেট্রো পরিষেবা সকাল ৭টায় পাওয়া যাবে, যা সাধারণত সকাল ৯টায় শুরু হয়। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ স্টেশন থেকে প্রথম মেট্রো পরিষেবা সকাল ৭টায় পাওয়া যাবে।
পুজোর ভিড়ের কথা মাথায় রেখে মেট্রোর এই ব্যাবধান কমিয়ে আনা হল বলে কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে শহিদ ক্ষুদিরাম-দক্ষিণেশ্বর রুটেও মেট্রোর ব্যবধান কমানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু নিত্যদিনের বিভ্রাটে যাত্রীরা আর সময়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারছেন না। ফলে তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
পুজোর দিনগুলোয় মেট্রো পরিষেবা নিয়েও বেশ চিন্তায় সাধারণ মানুষ। কারণ এই সময় মেট্রোয় ভিড় আরও বাড়বে। সারারাত পরিষেবা। তার মাঝে যদি মেট্রো বিগড়োয় তাহলে আর রক্ষে নেই! নাগাড়ে বিভ্রাটের পর শুক্রবার অবশ্য মেট্রোয় তেমন কোনও বিভ্রাট হয়নি।
কবি সুভাষ স্টেশন বন্ধের পর থেকে নানা সমস্যায় জেরবার মেট্রো। ব্লু লাইনে তো নিত্যদিন সমস্যা। এমনকী পরপর দু’দিন বিভ্রাট হয়েছে গ্রিন লাইনেও। এখন বিভ্রাটহীন পুজো পার করাটাই চ্যালেঞ্জ কর্তৃপক্ষের কাছে। মেট্রোর তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, পুজোর সময় যাতে কোনও বিভ্রাট না হয়, তার সমস্ত প্রস্তুতি সেরে রাখা হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
হাসিনা কাঁটা এড়িয়ে আগামী সপ্তাহেই দিল্লিতে তারেক! ইতিবাচক কূটনৈতিক মহল, কী বলছে ঢাকা?
-
ব্রিটিশ আমলেও অন্যের অধীনে ছিল ভারতের এই রাজ্য়, ৩৬ ঘণ্টার ‘অপারেশন বিজয়ে’ মেলে স্বাধীনতা
-
কৌতুক না উপহাস! দিব্যাঙ্গ বিতর্কে ‘সুপ্রিম’ স্বস্তি সময় রায়নার, সব মামলা খারিজ
-
অভিভাবকের সামনেই ছাত্রের ‘গলা টিপে’ মারধর প্রিন্সিপালের, স্কুলে ব্যাপক ভাঙচুর, পুলিশের লাঠিচার্জ!
-
‘স্কুলের কাজ সামলে সেনসাস কীভাবে?’ জনগণনায় শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন হাই কোর্টের