Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Humayun Kabir

‘আমার কাছে এলে রেজিনগর থেকে বিধানসভায় পাঠাতে পারি’, মমতাকে ‘অফার’ হুমায়ুনের

গতবছরের শেষদিকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নিজের দল ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। তৃণমূল সরকারের উৎখাতের ডাকও দিয়েছিলেন। মমতা চাপে পড়তেই সহানুভূতি দেখাচ্ছেন তিনি!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২৬, ১৯:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২৬, ১৯:০৪

options
link
‘আমার কাছে এলে রেজিনগর থেকে বিধানসভায় পাঠাতে পারি’, মমতাকে ‘অফার’ হুমায়ুনের zoom
'আমার কাছে এলে রেজিনগর থেকে বিধানসভায় পাঠাতে পারি', মমতাকে 'অফার' হুমায়ুনের

গতবছরের শেষদিকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নিজের দল ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। তৃণমূল সরকারের উৎখাতের ডাকও দিয়েছিলেন। যদিও যতটা গর্জে ছিলেন তার সামান্য পরিমাণ কাজে করে দেখাতে পারেননি। তবে ঘটনাচক্রে তৃণমূল ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে। ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তৈরি দলও। এই পরিস্থিতিতে নেত্রীর দিকে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর ইচ্ছেপ্রকাশ করলেন রেজিনগরের বিধায়ক। বললেন, “নেত্রী যদি আমার কাছে আসেন, আমি রেজিনগর আসন থেকে ওনাকে জিতিয়ে বিধানসভায় পাঠাব।” তবে ইঙ্গিতে বিঁধতেও ছাড়েননি।

দলনেত্রীকে ‘গুরুদক্ষিণা’ দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ হুমায়ুন কবীরের। বললেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়ালে জিতে আসতে পারবেন না। কিন্তু উনি চাইলে আমি ওনাকে রেজিনগর থেকে বিধানসভায় পাঠাতে পারি।” 

ছাব্বিশের নির্বাচনে জোর ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল। খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের গড় ভবানীপুরে জিততে পারেননি। ফলে এখন দলের সুপ্রিমো ছাড়া তিনি কোনও পদে নেই। এদিকে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের রাশও আর তাঁর হাতে নেই। ফলে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের হাতে কার্যত কোনও ক্ষমতাই নেই। দলের প্রতীক-ফান্ড কতক্ষণ তাঁর হাতে থাকবে, সেটাই বড় প্রশ্ন। এই পরিস্থিতিতে দলনেত্রীকে ‘গুরুদক্ষিণা’ দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ হুমায়ুন কবীরের।  কী বললেন বিধায়ক? তাঁর কথায়, তিনি চাইলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভায় পাঠাতে পারেন। 

Advertisement

হুমায়ুন এদিন বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়ালে জিতে আসতে পারবেন না। কিন্তু উনি চাইলে আমি ওনাকে বিধানসভায় পাঠাতে পারি। তার জন্য নেত্রীকে আমার কাছে আসতে হবে। আমি রেজিনগর আসন ছেড়ে দেব। ওনার কথা কেউ না শুনলেও রেজিনগরে হুমায়ুনই শেষ কথা।” হুমায়ুনের কথায়, বর্তমানে দলনেত্রীর যা পরিস্থিতি, তাতে তাঁর খারাপ লাগছে। তাই সাধ্য মতো নেত্রীর পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত তিনি।   

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.