Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Park Street

আয়ার কুকীর্তি! বৃদ্ধার হিরের বালা-সহ গয়না চুরির পর ‘নাটক’, অবশেষে গ্রেপ্তার

গত ৫ জুলাই পার্ক স্ট্রিটের অভিজাত আবাসনে বৃদ্ধার হিরের বালা, কানের দুল ও অন্যান্য গয়না লুট করে প্রধান অভিযুক্ত নমিতা রাউত।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ১৫:৫৫

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ১৫:৫৫

options
link
আয়ার কুকীর্তি! বৃদ্ধার হিরের বালা-সহ গয়না চুরির পর ‘নাটক’, অবশেষে গ্রেপ্তার zoom
বৃদ্ধার হিরের বালা, কানের দুল লুট করে 'নাটক' পরিচারিকার, অবশেষে গ্রেপ্তার। ছবি: এআই নির্মিত
Advertisement

দুর্ধর্ষ ডাকাতি! বৃদ্ধার পরিচারিকা হয়ে দেখভাল করতে এসে তাঁর হিরের বালা, আংটি ও অন্যান্য গয়না চুরি করে পালিয়েছিল আয়া। বাড়ির লোকজন তা টের পাওয়ামাত্রই পার্ক স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল ওই পরিচারিকার বিরুদ্ধে। গত ৫ জুলাই সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে প্রথমে ২ জনকে পাকড়াও করলেও মূল অভিযুক্ত ওই পরিচারিকা অধরাই ছিল। উলটে সে ফের বৃদ্ধার বাড়িতে উদয় হয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে ‘নাটক’ সাজাতে থাকে। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হল না।

অবশেষে ভাটপাড়া থেকে পুতুল বর্মা ওরফে নমিতা রাউতকে গ্রেপ্তার করেছে পার্ক স্ট্রিট থানার পুলিশ। একই জায়গা থেকে চন্দন সাউ নামেও আরেকজন গ্রেপ্তার হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে হিরের দুটি কানের দুল। বালাগুলি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে তাও উদ্ধার করে বলে খবর। এমন আটঘাঁট বেঁধে চুরির ঘটনা দেখে পুলিশ নিজেই তাজ্জব!

Advertisement

গত ৫ তারিখ অনিল পাঞ্জাবি নামে পার্ক স্ট্রিটের এক বাসিন্দা থানায় অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর ৮৪ বছরের বৃদ্ধার মায়ের হাত থেকে হিরের বালা, কানের দুল ও বাড়ির অন্যান্য গয়না হাতিয়ে পালিয়ে গিয়েছে পরিচারিকা পুতুল ওরফে নমিতা। পরে সে ফের ওই বাড়িতে ফিরে ‘নাটক’ করে। জানায় যে তাকে অজ্ঞান করে নাকি গয়নাগাটি লুট করা হয়েছে। সে এর সঙ্গে জড়িত নয়। তাতে সন্দেহ আরও বাড়ে বাড়ির লোকজনের। এসআই অমিত কর্মকারের নেতৃত্বে শুরু হয় তদন্ত। সুস্মিতা সর্দার ও সোহেল রফিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের জেরা করে পুতুল ওরফে নমিতা সম্পর্কে বিশদ তথ্য জানতে পারেন তদন্তকারীরা। তার সন্ধান করতে গিয়ে গত বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধরা পড়ে চন্দন সাউ নামে আরেকজনও।

নমিতা ও চন্দনের কাছ থেকে বৃদ্ধার হিরের দুটি দুল উদ্ধার হয়। কিন্তু হিরের বালার হদিশ মেলেনি। ধৃতদের জেরা করে পুলিশ জানতে পারে, বালা থেকে হিরেগুলি খুলে বাকিটা পাপ্পু বর্মা নামে একজনের কাছে বিক্রি করেছিল চন্দন। পাপ্পু সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করে তার ডেরায় হানা দেয় পুলিশ। উদ্ধার হয় হিরের মতো ২১৭ টি টুকরো, ৪টি রুপোর গয়না। সব মালখানায় জমা দেওয়া হয়েছে। তবে পাপ্পু পলাতক। তার খোঁজ চলছে। গয়নাগুলি উদ্ধার হওয়ায় কিছুটা স্বস্তিতে অভিযোগকারী পরিবার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.