গরম ধোঁয়া ওঠা চা থেকে ফাস্ট ফুড। ঝালমুড়ির স্টল থেকে ভাতের হোটেল। সেক্টর ফাইভে হাত বাড়ালেই খাবার মিলত ফুটপাতের ধারের ওই দোকানগুলো থেকে। বলা যেতে পারে, সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিসগুলিতে কর্মরতদের সিংহভাগের সারাদিনের খাবারের অন্যতম ভরসা ছিল ওই দোকানগুলি। ফুটপাথের ধারের প্রায় ১০০০-১২০০ দোকানদারদের হাতে নোটিস ধরিয়েছে নবদিগন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ অথরিটি। ডেডলাইন ছিল সোমবারই। তার মধ্যেই দোকানের ছাউনি সহ কাঠামো সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বুলডোজার অ্যাকশনের আতঙ্কে একে একে অস্থায়ী দোকান নিরাই ভাঙতে শুরু করলেন হকাররা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দোকানে আগুন জ্বালাতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। খাবার দোকানগুলি কীভাবে চলবে, তা নিয়ে দিশেহারা ব্যবসায়ীরা।

সেক্টর ফাইভ, বাংলার আইটি হাব নামেই পরিচিত। তবে সেখানে শুধু আইটি অফিস নয়, রয়েছে বহু সরকারি ও বেসরকারি অফিসও। প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ সেখানে আসেন কর্মসূত্রে। প্রতিটি মোড়, অলিগলিতে রয়েছে ফুটপাথের উপর খাবার দোকান। রবিবার থেকে দেখা গেল, সেক্টর ফাইভের কলেজ মোড়, ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার উলটো দিকের ফুটপাত, গোদরেজ রিভার সাইডের দু’ধারে, টেকনো ইন্ডিয়া মোড় থেকে স্বাস্থ্যভবন যাওয়ার রাস্তায় ব্যবসায়ীরা নিজেদের দোকান খুলে নিয়ে যাচ্ছেন। সোমবার গোটা অফিস পাড়া কার্যত শূণ্যপুরী। একটা খাবারের স্টল দেখা গেল না। সেক্টর ফাইভের এক ভাতের হোটেলের ব্যবসায়ী বলছেন, “আমরা তো উঠে যাচ্ছি। কিন্তু যাঁরা আমাদের দোকানের ভরসায় থাকতেন, সেই কাস্টমারদের কী হবে? পরবর্তী নির্দেশের দিকে তাকিয়ে আছি আমরা।” এদিকে এনডিআইটিএ সূত্রে জানানো হয়েছে, কোনও হকারকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে না। আইন অনুযায়ী বিধিনিষেধ মেনে দোকান চালাতে বলা হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
রোনাল্ডোর প্রিয় খাবার ‘বাকালোহ আ ব্রাশ’, বাড়িতে বানিয়েই চেটেপুটে খান
-
প্রয়াত ‘জুরাসিক পার্ক’ খ্যাত স্যাম নিল, শরীরে বাসা বাঁধে বিরল রক্তের ক্যানসার, জানুন লক্ষণ ও চিকিৎসা
-
‘আমাদের পূর্বপুরুষ এক, হিন্দু রাষ্ট্র নিয়ে ভয়ের কিছু নেই’, রামদেবের মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক
-
সুরুচির সংঘ থেকে ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’রা আউট! দায়িত্ব পেয়েই বিধায়ক বললেন ‘ভিআইপি কালচার ইতি’
-
বায়োপিকে হেমার পছন্দ দীপিকা, সুসম্পর্কের খাতিরেই ‘ড্রিম গার্ল’-এর ভূমিকায়?