Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
GRSE

‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর লক্ষ্যে নতুন ধাপ! উন্নত অ্যাকোস্টিক রিসার্চ শিপ বানাবে GRSE

গার্ডেনরিচের জাহাজ নির্মাণ সংস্থার আরও এক মাইলস্টোন হতে চলেছে এটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৬, ২০২৫, ২০:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৬, ২০২৫, ২০:১৮

options
link
‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর লক্ষ্যে নতুন ধাপ! উন্নত অ্যাকোস্টিক রিসার্চ শিপ বানাবে GRSE zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর লক্ষ্যে দেশকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড তথা GRSE। এক উন্নত অ্যাকোস্টিক রিসার্চ শিপের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হল। যা ডিআরডিও-র এক ইউনিট নেভাল ফিজিক্যাল অ্যান্ড ওশানোগ্রাফিক ল্যাবরেটরি তথা এনপিওএলের জন্য তৈরি করা হচ্ছে। যা গার্ডেনরিচের জাহাজ নির্মাণ সংস্থার আরও এক মাইলস্টোন হতে চলেছে।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডিআরডিও-র চেয়ারম্যান ও প্রতিরক্ষা দপ্তরের সচিব ড. সমীর ভি কামাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জিআরএসই-র চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর পি পি হরি, জিআরএসই-র (অর্থ) ডিরেক্টর নিরঞ্জন ভালেরাও, এনপিওএলের ডিরেক্টর ড. ডি শেষাগিরি প্রমুখ।

Advertisement

এদিন জিআরএসই-কে স্বাগত জানিয়ে ড. কামাত বলছেন, ”১৯৯৪ সালে তৈরি সাগরধ্বনি যা এনপিওএলের কাছে আছে, তা গত ৩১ বছর ধরে পরিষেবা দিয়ে চলেছে। আর এবার আমরা নতুন জাহাজের ক্ষেত্রে আরও ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছি যা সাগরধ্বনিতে রয়েছে।”
২০২৪ সালের অক্টোবরেই উন্নত অ্যাকোস্টিক রিসার্চ শিপ নির্মাণ নিয়ে চুক্তিবদ্ধ হয় জিআরএসই ও এনপিওএল। এই জাহাজগুলি দৈর্ঘ্যে ৯৩ মিটার ও প্রস্থে ১৮ মিটার হবে। গতিবেগ ৪ থেকে ১২ নটের মধ্যে। একটি সিঙ্গল মিশনে ৩০ দিনে অথবা সাড়ে চার হাজার নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত যাত্রা করতে পারবে। সব মিলিয়ে ১২০ জনের জায়গা হবে ওই জাহাজে। ARS-এর ক্ষমতার মধ্যে থাকবে বিভিন্ন সরঞ্জাম যেমন অ্যাকোস্টিক মডিউল স্থাপন, টানা ও পুনরুদ্ধার, জরিপের জন্য ব্যবহৃত সমুদ্রের জোয়ার/বর্তমান তথ্য সংগ্রহ ইত্যাদি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.