Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
Kolkata Medical College

বোরখার পিন শ্বাসনালিতে ঢুকে প্রাণ সংশয় কিশোরীর, কলকাতা মেডিক্যালে গিয়ে রক্ষা

ডা. দীপ্তাংশু মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রোগী ঢোক গিলতে পারছিলেন না। আমাদের বলেছিলেন, কিছু একটা গিলে ফেলেছি। দ্রুত তাঁকে ভর্তি করা হয়। চেস্ট এক্স-রে আর সিটি স্ক্যান করে দেখা যায়, ডান দিকের ব্রঙ্কাসে আটকে রয়েছে বোরখার পিন। এরপর রিজিড ব্রঙ্কোস্কপি করে বের করা হয় পিনটি।

Advertisement
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ১৪:৩১

link
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ১৪:৩১

options
link
বোরখার পিন শ্বাসনালিতে ঢুকে প্রাণ সংশয় কিশোরীর, কলকাতা মেডিক্যালে গিয়ে রক্ষা zoom
বোরখা আটকানোর পিন ঢুকে যায় গলায়। সোজা চলে যায় ব্রঙ্কাসে।

রোজার মাসে দুর্ঘটনা। প্রাণ বাঁচাল কলকাতা মেডিক্যাল। চিকিৎসকদের চেষ্টায় বৃথা যায়নি কিশোরীর প্রার্থনা। রমজান মাস চলছে। মধ্য কলকাতার বউবাজারের বাসিন্দা বছর ষোলোর সাজদা পারভিন রোজা রেখেছেন। তার মধ্যেই বিপত্তি। বোরখা আটকানোর পিন ঢুকে যায় গলায়। সোজা চলে যায় ব্রঙ্কাসে।

ফুসফুসের ভিতর শ্বাসনালির একটি বড় শাখা ব্রঙ্কাস। শ্বাস নেওয়ার সময় বাতাস এই পথ ধরেই ফুসফুসে পৌঁছয়। পিনটি আটকে যায় ডানদিকের ব্রঙ্কাসে। ডানদিকের ব্রঙ্কাস একটু বেশি চওড়া। সিংহভাগ ক্ষেত্রেই ভুল করে গিলে ফেলা কিছু এই দিকেই আটকায়। তেমনটাই হয়েছিল সাজদার ক্ষেত্রেও। দেরি করেনি তার পরিবার। বুধবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ সাজদাকে নিয়ে তার পরিবার আসে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের (Kolkata Medical College) ইএনটি বিভাগের ওপিডিতে। ডা. দীপ্তাংশু মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রোগী ঢোক গিলতে পারছিলেন না। আমাদের বলেছিলেন, কিছু একটা গিলে ফেলেছি। দ্রুত তাঁকে ভর্তি করা হয়। চেস্ট এক্স-রে আর সিটি স্ক্যান করে দেখা যায়, ডান দিকের ব্রঙ্কাসে আটকে রয়েছে বোরখার পিন। এরপর রিজিড ব্রঙ্কোস্কপি করে বের করা হয় পিনটি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই প্রক্রিয়ায় ধাতব টিউব শ্বাসনালি দিয়ে ফুসফুসের ভিতরে ঢোকানো হয়। এর মাধ্যমেই বের করে আনা হয় ধাতব পিনটি। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইএনটি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রোফেসর ডা. দীপ্তাংশু মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কোনওরকম জটিলতা ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে। অক্ষুণ্ণ রয়েছে তার রোজা। চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানিয়েছে সাজদার পরিবার। আপাতত তাঁকে গভীর পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। অস্ত্রোপচার টিমে ছিলেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইএনটি বিভাগের ডা. দীপ্তাংশু মুখোপাধ্যায়, ডা. সুদীপকুমার দাস, ডা. তাপস রায়, ডা. নয়না দাস। অ্যানাস্থেটিস্টের দায়িত্বে ছিলেন ডা. দেবাশিস ঘোষ, ডা. আত্রেয়ী বসু।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.