Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
Bidhannagar

ভুয়ো কল সেন্টারের মাধ্যমে প্রতারণা, পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার মালিক, উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা

ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ আরও তথ্য পেতে চাইছে বলে খবর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৫, ১৪:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৫, ১৪:৩৪

options
link
ভুয়ো কল সেন্টারের মাধ্যমে প্রতারণা, পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার মালিক, উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা zoom
উদ্ধার হয়েছে বিপুল টাকা ও একাধিক মোবাইল ফোন। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

অর্ণব আইচ: ভুয়ো কল সেন্টার চালানোর মধ্যে দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ। অনলাইনে নামকরা সংস্থার জিনিস ক্রয়ের জাল ফেলে সাধারণ মানুষদের প্রতারণা করা হত বলে অভিযোগ। পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ওই কল সেন্টারের মালিককে। উদ্ধার হয়েছে ১৯ লক্ষ টাকার বেশি। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ আরও তথ্য পেতে চাইছে বলে খবর।

পুলিশ সূত্রে খবর, বিধান নগরের টেকনোসিটি এলাকায় ওই ভুয়ো কল সেন্টার চলছিল বলে খবর। গতকাল বৃহস্পতিবার সেখানে হানা দেন তদন্তকারীরা। এছাড়াও একটি আবাসনে হানা দেওয়া হয়। সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় ওই ভুয়ো কল সেন্টারের মালিককে। বিকাশকুমার রায় নামে ওই ব্যক্তি ভুয়ো কল সেন্টার চালাত বলে খবর।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, টেকনোসিটি থানা এলাকায় অফিস নিয়ে ওই ভুয়ো কল সেন্টার চালানো হচ্ছিল। নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে হানা দেয়। এছাড়াও সাপুরজির সুখবৃষ্টি আবাসনের একটি ফ্ল্যাটেও হানা দেওয়া হয়। ওই ফ্ল্যাটেই থাকেন বিকাশকুমার রায়। দীর্ঘ সময় অফিস ও ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান চলে। একাধিক সরঞ্জাম, ফোন, গ্যাজেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে ফ্ল্যাট থেকে। উদ্ধার হয়েছে ১১টি মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, একটি ইন্টারনেট রাউটার। ফোনের তথ্য ঘেঁটে একাধিক কথোপকথন পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে, একটি বিপণন সংস্থার নাম ধরে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হত। মোবাইল ফোনগুলি ঘেঁটে প্রচুর তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

শুধু তাই নয়, সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে মোট সাড়ে ১৯ লক্ষ টাকা। তথ্য, নথি, মোবাইল ফোন, বিপুল টাকা উদ্ধারের পরই গ্রেপ্তার করা হয় বিকাশ রায়কে। আরও কোথাও বিপুল পরিমাণ টাকা মজুত আছে নাকি, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িয়ে আছে? সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতকে এদিন আদালতে তোলা হয়। ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করে আরও তথ্য নেওয়া হবে। এই কথা জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.