একটা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা (New Market Hotel Fire)। সামনে এনে দিল নিউ মার্কেটের ‘অন্ধকার পৃথিবী’র আসল সত্যিটা। শনিবার সকাল থেকে পুরসভা, দমকল, নিউ মার্কেট থানার যৌথ অভিযানে ওই এলাকার পরপর হোটেলে তালা পড়ল। বৃহস্পতিবার ১৩ হোটেলকে শোকজ করে দমকল, শুক্রবার ১৭ হোটেলকে জবাবদিহি করতে ২৪ ঘণ্টার ডেডলাইন দেওয়া হয়, শনিবার অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থার গলদের অভিযোগে আরও ২৫ হোটেল-রেস্তরাঁকে শোকজ করল দমকল।
এই বিষয়ে আরও খবর
পুরসভার তথ্য বলছে, অধিকাংশ বাড়িই আবাসন, যেগুলিতে হোটেল ব্যবসার জন্য কোনও অনুমোদনই নেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয়, পুরসভার বৈধ কাগজপত্র নেই, নেই অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থাও। এখানেই শেষ নয়, ন্যূনতম জলের ব্যবস্থাটুকুও অমিল একাধিক হোটেলে!
বেআব্রু নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থাও তথৈবচ, বহুতলগুলিতে সস্তার হোটেল ব্যবসার নামে বেআইনি কারবার চলেছে দিনের পর দিন। আচমকা একটা দুর্ঘটনায় সামনে এল একাধিক গলদের ছবি। ঘিঞ্জি এলাকার সারি সারি হোটেল নামে সবই বসবাসের আবাসন। পুরসভার তথ্য বলছে, অধিকাংশ বাড়িই আবাসন, যেগুলিতে হোটেল ব্যবসার জন্য কোনও অনুমোদনই নেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয়, পুরসভার বৈধ কাগজপত্র নেই, নেই অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থাও। এখানেই শেষ নয়, ন্যূনতম জলের ব্যবস্থাটুকুও অমিল একাধিক হোটেলে! এদিন পুলিশ-দমকল-পুরসভার টিম নিউ মার্কেটের হোটেলগুলিতে পৌঁছতেই হকচকিয়ে যায় মালিকরা। জানা যায়, বহু হোটেলই দেখাতে পারেনি বৈধ নথি, ফায়ার লাইসেন্স। এরকম ২৫টি হোটেলকে শোকজ করা হয়।
ধর্মতলা চত্বরে মোট ১৬টি হোটেলকে সিল করে দমকল। প্রশ্ন উঠছে, নিউ মার্কেট থানা, কলকাতা পুরসভা, দমকলের নাকের ডগায় এত বেআইনি কারবার কীভাবে চলছিল বছরের পর বছর?
অন্যদিকে, গত দু’দিনে যে সমস্ত হোটেলকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাবদিহি করতে বলা হয়েছিল। তাদের অনেকেই নাকি সময় মতো শোকজ নোটিসে জবাব দেননি, অনেকে নোটিসের উত্তর দিলেও তাতে রয়েছে যথেষ্ট গলদ। এদিন নোটিস দেওয়া আরও ৩টি হোটেলে তালা ঝোলায় দমকল। গতকালই ১৩ টি হোটেল সিল করে দেওয়া হয়। এই নিয়ে ধর্মতলা চত্বরে মোট ১৬টি হোটেলকে সিল করে দমকল। প্রশ্ন উঠছে, নিউ মার্কেট থানা, কলকাতা পুরসভা, দমকলের নাকের ডগায় এত বেআইনি কারবার কীভাবে চলছিল বছরের পর বছর? শনিবার মার্কুইজ স্ট্রিটে হোটেলগুলি পরিদর্শনে গিয়ে সেই প্রশ্নই আরও একবার উসকে দেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও। মন্ত্রীর সাফ কথা, আর শোকজ করে কোনও লাভ নেই। সরাসরি সিল করা হবে। এতদিন ধরে কীভাবে এই কারবার চলছিল সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। এর জবাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিম দিতে পারবেন বলে মনে করেন মন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, ফিরহাদ হাকিম অনুমতি দিতেন কীভাবে? আগে লিডারদের বাড়ি বাড়ি পারসেনটেজ পৌঁছে যেত। এখন আর টাকা দিয়ে বেনিয়মকে নিয়ম করা যাবে না।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
মাত্র তিনদিনেই শেষ কাজ! এসআইআরের মতোই জনগণনাতেও নজির সাঁইথিয়ার শিক্ষকের
-
রাতের আকাশে বেগুনির খেলা! স্পেস স্টেশন থেকে নবরূপ দেখালেন নভোশ্চর
-
হকি বিশ্বকাপে ডাচেদের বিরুদ্ধে হার, শেষ চারে ওঠার স্বপ্ন প্রায় শেষ ভারতের
-
বুকে পেসমেকার, ধূমপানে না চিকিৎসকদের! অসুস্থ বিমান সিগারেট ছাড়বেন? চিন্তিত কমরেডরা
-
১২ বছর নেকড়েদের পালে বড় হয়েছেন, ৮০ বছর বয়সে প্রয়াত স্পেনের ‘মোগলি’



