Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Digital Arrest

হরিয়ানায় ডিজিটাল গ্রেপ্তারির ভয় দেখিয়ে তিন কোটি টাকা আত্মসাৎ! কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার মূল চক্রী

সম্প্রতি দক্ষিণ কলকাতার পঞ্চসায়র এলাকার নয়াবাদের বাসিন্দা এক বৃদ্ধাকে ফোন করে গ্রেপ্তারির ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকেও দু’দফায় ১২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় সাইবার জালিয়াতরা।

Advertisement
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২৬, ১৫:৩৬

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২৬, ১৫:৩৬

options
link
হরিয়ানায় ডিজিটাল গ্রেপ্তারির ভয় দেখিয়ে তিন কোটি টাকা আত্মসাৎ! কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার মূল চক্রী zoom
ফাইল ছবি।

হরিয়ানায় ডিজিটাল গ্রেপ্তারির (Digital Arrest) ভয় দেখিয়ে তিন কোটি টাকা হাতানোর অভিযোগে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার হল এক যুবক। কলকাতা পুলিশের সহযোগিতায় রাহুল রায় নামে ওই যুবককে দক্ষিণ কলকাতার বাঁশদ্রোনী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। হরিয়ানার বাসিন্দা এক প্রাক্তন সেনাকর্তার বৃদ্ধা স্ত্রীর অ‌্যাকাউন্ট থেকে তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় ওই সাইবার চক্রের মাথারা। এদিকে, সম্প্রতি দক্ষিণ কলকাতার পঞ্চসায়র এলাকার নয়াবাদের বাসিন্দা এক বৃদ্ধাকে ফোন করে গ্রেপ্তারির ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকেও দু’দফায় ১২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় সাইবার জালিয়াতরা।

পুলিশ জানিয়েছে, কয়েক মাস আগে হরিয়ানার পাঁচকুলা থানা এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছিল। সেখানেই থাকেন প্রাক্তন সেনাকর্তার বৃদ্ধা স্ত্রী। নিজেদের সিবিআই পরিচয় দিয়ে তাঁকে ফোন করে সাইবার জালিয়াতরা। বলা হয়, তাঁর নামে পাঠানো পার্সেলে মাদক পাওয়া গিয়েছে। তাই তাঁকে ডিজিটাল গ্রেপ্তারি করা হয়েছে। তাঁকে বাড়ি থেকে বের হতে বারণ করা হয়। প্রমাণ হিসাবে তাঁকে ভিডিও কল করে ও তাঁর হোয়াটসঅ‌্যাপে বেশ কিছু ভুয়ো নথি পাঠানো হয়। এই অবস্থা থেকে বাঁচতে তিনি জালিয়াতদের অ‌্যাকাউন্টে তিন কোটি টাকা পাঠিয়ে দেন। পরে হরিয়ানার পাঁচকুলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। হরিয়ানার পুলিশ তদন্ত শুরুর পর জানতে পারে যে, ওই তিন কোটি টাকার একটি অংশ এসেছে কলকাতার একটি ব‌্যাঙ্ক অ‌্যাকাউন্টে। সেইমতো পুলিশ বাঁশদ্রোনীর রাহুল রায়কে শনাক্ত করে। শনিবার রাতে বাঁশদ্রোনীতে তাঁর বাড়িতে কলকাতা পুলিশ ও হরিয়ানা পুলিশের যৌথ টিম হানা দেয়। তাকে গ্রেপ্তার করার পর হরিয়ানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই চক্রের মাথাদের সন্ধান চালানো হবে।

Advertisement

এদিকে, কিছুদিন আগেই পঞ্চসায়রের নয়াবাদ এলাকার একটি বহুতল আবাসনের বাসিন্দা এক বৃদ্ধাকে ফোন করে সাইবার জালিয়াতরা। তারা নিজেদের পুলিশ আধিকারিক বলে পরিচয় দেয়। তারা দাবি করে যে, বৃদ্ধার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ এসেছে। এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর মেয়ে ও জামাই জড়িত। তাই প্রত্যেককেই গ্রেপ্তার করা হবে। গ্রেপ্তারির হাত থেকে বাঁচতে টাকা দিতে হবে। তিনি ভয় পেয়ে যান। তাঁকে বলা হয়, গ্রেপ্তার না হতে চাইলে তাঁকে টাকা দিতে হবে। তিনি ভয় পেয়েই প্রথম দফায় সাড়ে দশ লাখ টাকা একটি অ‌্যাকাউন্টে পাঠান। কিন্তু তার পরও তাঁকে ফোনে হুমকি দেওয়া হয়। তিনি দ্বিতীয় দফায় ফের ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা পাঠাতে বাধ‌্য হন। ক্রমে মেয়ে জামাইকে বিষয়টি জানানোর পর বুঝতে পারেন তাঁকে সাইবার জালিয়াতরাই ফোন করেছিল। এর পরই তিনি পঞ্চসায়র থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.