বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি! ভোট আসে ভোট যায়, তাঁর কথা ফেরে বারবার। নতুন সরকার আসতেই ফের উঠছে বাম জমানার বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের জমানার কথা। সম্প্রতি পাম অ্যাভিনিউয়ে তাঁর ছোট্ট ফ্ল্যাটবাড়িতে ফিরেছে আগের মতো নিরাপত্তা। ২৪ ঘণ্টার জন্য মোতায়েন হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। রাজ্যে পালাবদলের পরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই ব্যবস্থা করেছেন। এই পদক্ষেপের জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য। ‘সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল’-কে অকপটে তিনি জানালেন, ‘‘শুভেন্দুকে অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। তিনি যে সব ছোটখাটো বিষয় মনে রাখেন, তাতে আমি বেশ অবাক হয়েছি।”
নিজের বাড়ির নিরাপত্তা ফেরা নিয়ে মীরা ভট্টাচার্যের দাবি, ‘‘আমার নিরাপত্তা নয়, একজন সাধারণ মহিলার নিরাপত্তা নিয়ে ভেবেছেন! আগে ছিল একজন করে সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত একজন পিএসও থাকতেন, মানে তিনি চলে যাওয়ার অনেক পরে। বুদ্ধবাবু চলে যাওয়ার পর প্রোটোকল অনুযায়ী তাঁর সব নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়। আমি সরকারকে বলিনি আমার অসুবিধা হচ্ছে। আশ্চর্যের বিষয়, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নিরাপত্তা ফিরিয়ে দিলেন, রাতেও এবার একজন করে থাকবেন। এত কাজের মধ্যে, এত চাপের মধ্যে তিনি এত কিছু করেছেন। তার জন্য আমার আন্তরিক ধন্যবাদ।”
আরও পড়ুন:
নিজের বাড়ির নিরাপত্তা ফেরা নিয়ে মীরা ভট্টাচার্যের দাবি, ‘‘আমার নিরাপত্তা নয়, একজন সাধারণ মহিলার নিরাপত্তা নিয়ে ভেবেছেন! আগে ছিল একজন করে সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত একজন পিএসও থাকতেন, মানে তিনি চলে যাওয়ার অনেক পরে। বুদ্ধবাবু চলে যাওয়ার পর প্রোটোকল অনুযায়ী তাঁর সব নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়। আমি সরকারকে বলিনি আমার অসুবিধা হচ্ছে। আশ্চর্যের বিষয়, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নিরাপত্তা ফিরিয়ে দিলেন, রাতেও এবার একজন করে থাকবেন। এত কাজের মধ্যে, এত চাপের মধ্যে তিনি এত কিছু করেছেন। তার জন্য আমার আন্তরিক ধন্যবাদ। এগিয়ে যাওয়ার শুভেচ্ছাও রইল। এটা ওঁর মহত্ব।”
এদিন মীরাদেবীর কথায় উঠে এসেছে রাজ্যে শিল্প ফেরার প্রসঙ্গ। বললেন, ‘‘যেটা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সময় হয়েছিল ২০১১ সালে, সেটা তো ঠিক ব্যাপার হয়নি। রাজ্যটা তার জন্য কতটা পিছিয়ে গেল! উনি তো এক সিঙ্গুরের জন্য ভাবেননি। সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম, সবার জন্য ভেবেছিলেন।’’
কিন্তু বামেরা তো নীতি-আদর্শ অনুযায়ী বিজেপির বিরোধী। সেখানে এক বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর এমন প্রশংসা বুদ্ধজায়ার? এর উত্তরে মীরাদেবী বলছেন, ‘‘রাজনীতিতে আলাদা মতভেদ হলেও কাউকে তাঁর কাজের জন্য অভিনন্দন জানানো মনে হয় না বিতর্কের বিষয়। অবশ্যই ধন্যবাদ জানানো উচিত। বিশেষ করে উনি শিল্পের জায়গাটা যেভাবে ধরেছেন।’’ তাহলে কি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে? মীরাদেবীর দাবি, ‘‘আমি বলছি না, বুদ্ধবাবুর ভাবনার সঙ্গে ওঁর ভাবনার মিল আছে। কিন্তু শিল্পের জন্য দৌড়চ্ছেন, পরবর্তী প্রজন্ম, রাজ্যের উন্নতির আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।’’
তবে কি বুদ্ধবাবুর অধরা কাজ কি পূরণ করবেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী? তাঁর কাছে কিছু চাওয়ার আছে? তাতে মীরাদেবীর বক্তব্য, ‘‘আমি বলব, রাজ্যটাকে পুরনো গৌরবে ফেরান। নারী নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে পুরনো দিনের মতো যাতে চলে, সেটার আবেদন জানাচ্ছি। রাজনৈতিক সৌজন্য, বাংলার সৌজন্যে তিনি যা কাজ করছেন, সেটার জন্য ধন্যবাদ জানানো উচিত।’’
তবে কি বুদ্ধবাবুর অধরা কাজ কি পূরণ করবেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী? তাঁর কাছে কিছু চাওয়ার আছে? তাতে মীরাদেবীর বক্তব্য, ‘‘আমি বলব, রাজ্যটাকে পুরনো গৌরবে ফেরান। নারী নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে পুরনো দিনের মতো যাতে চলে, সেটার আবেদন জানাচ্ছি। রাজনৈতিক সৌজন্য, বাংলার সৌজন্যে তিনি যা কাজ করছেন, সেটার জন্য ধন্যবাদ জানানো উচিত।’’ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হলে কী বলবেন? বুদ্ধজায়ার জবাব, ‘‘সামান্য একজন মহিলা আমি, এত বড় আশা করি না, যদি কোনও দিন দেখা হয় জানাবো, মানসিক দিক থেকে যা করতে চাইছেন, সেগুলো করুন।’’
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রাতের কারখানায় দুর্ঘটনা, জামুড়িয়ায় ফার্নেস ফেটে জখম অন্তত ৩, এলাকায় আতঙ্ক
-
এবার পানিহাটি পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগ? বোর্ড মিটিং ভেস্তে যাওয়ায় বাড়ল জল্পনা
-
‘দখলমুক্ত হোক নাট্য অঙ্গন’, অ্যাকাডেমিতে গেরুয়া বিতর্কের পর শমীকের দরবারে চন্দন সেনরা
-
মমতা নাকি ঋতব্রত শিবির? ‘আসল’ তৃণমূলের তকমা দেবেন কাকে? মুখ খুললেন জ্ঞানেশ কুমার
-
অনুরোধ-উপরোধ নয়, কাজ হাসিল করতে পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে তাণ্ডব মদ্যপ গ্রামবাসীর!