Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Sandipan Saha on Jahangir Khan

‘দলকে লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে’, জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ‘বিদ্রোহ’ তৃণমূল বিধায়কের

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে চলা বৈঠকেই জাহাঙ্গির এহেন পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন একাধিক তৃণমূল বিধায়ক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ০৯:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ০৯:৪৫

options
link
‘দলকে লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে’, জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ‘বিদ্রোহ’ তৃণমূল বিধায়কের zoom
গ্রেপ্তার জাহাঙ্গির খান। ফাইল ছবি
Advertisement

ফলতা বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে হঠাৎ ময়দান ছাড়ার ঘোষণা করেন ‘বাহুবলি’ জাহাঙ্গি খান (Jahangir Khan)। তাঁর এহেন সিদ্ধান্তে রীতিমতো ঝড় তৃণমূলের অন্দরে। শুরু হয়েছে গৃহদাহ। কেন জাহাঙ্গিরকে বরখাস্ত করা হবে না তা নিয়ে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। এবার প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিলেন এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহা (Sandipan Saha)। পুষ্পার কড়া শান্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। সন্দীপনের প্রশ্ন, ও তো নিজেকে পুষ্পা বলে দাবি করতেন। তাহলে কেন ঝুঁকে গেল? শুধু তাই না, জাহাঙ্গির এহেন কার্যকলাপে দলকে লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে বলেও মন্তব্য তৃণমূল বিধায়কের।

প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিলেন এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহা। পুষ্পার কড়া শান্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। সন্দীপনের প্রশ্ন, ও তো নিজেকে পুষ্পা বলে দাবি করতেন। তাহলে কেন ঝুঁকে গেল? শুধু তাই না, জাহাঙ্গির এহেন কার্যকলাপে দলকে লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে বলেও মন্তব্য তৃণমূল বিধায়কের।

একের পর এক অনিয়মের অভিযোগে গোটা ফলতা বিধানসভার ভোট বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। নতুন করে ভোটের তারিখ জানানো হয়। সেই মতো আজ, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফলতার একাধিক বুথে চলছে ভোটগ্রহণ। কিন্তু মঙ্গলবার হঠাৎ করেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর প্রশংসা করে নিজেকে ভোটের ময়দান থেকে সরিয়ে নেন জাহাঙ্গির। সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, ‘‘আমি এই ভোটে লড়ছি না।’’ ফলতার মানুষের শান্তি রক্ষার স্বার্থেই তাঁর নাকি এহেন সিদ্ধান্ত। ভোটের ময়দান থেকে পুষ্পা সরে যেতেই রাজ্য-রাজনীতিতে ঝড় উঠে যায়। তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। যদিও রাতারাতি তৃণমূলের টুইটারে পোস্ট করে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত জাহাঙ্গিরের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত।

Advertisement

কিন্তু বিতর্ক থামেনি। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে চলা বৈঠকেই জাহাঙ্গির এহেন পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন একাধিক তৃণমূল বিধায়ক। এরমধ্যেই এবার প্রকাশ্যে বোমা ফাটালেন এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক। এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, উনি (পড়ুন-জাহাঙ্গির) প্রচার শেষ হওয়ার কয়েকঘন্টা আগে ভোট প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা জানাচ্ছেন। বললেই তো হল না। রয়েই তো গেলেন! সন্দীপন সাহার কথায়, ”সরকার গঠন করতে পারিনি আমরা। নতুন সরকার গঠন হয়েছে। এরমধ্যেই ফলতায় নির্বাচন হচ্ছে। সেই সময় এহেন সিদ্ধান্ত দলের মনোবলকে তো আরও তলানিতে নিয়ে যাবে। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা উচিত।”

শুধু তাই নয়, কার্যত দলের এক শীর্ষ নেতাকে বিঁধে তৃণমূল বিধায়ক আরও বলেন,”ফলতায় তাঁর সাম্রাজ্য চলত। কোনও কাজ করতে হলে জাহাঙ্গির খানের অনুমোদন প্রয়োজন হতো। তাঁর এইটুকু সাহস কেন থাকল না? নির্বাচনে হার-জিত থাকে। কিন্তু সাহস কেন তিনি পেলেন না? প্রশ্ন সন্দীপনের। শুধু এন্টালির বিধায়কই নয়, ইতিমধ্যে মুখ খুলেছেন তৃণমূলের বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষও। এহেন সিদ্ধান্তে তিনি বলেন, ”পুষ্পা ঝুকল কেন? ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছিল কি না, সেটা একটা প্রশ্ন। আর পরিবেশ তৈরি হলেই পুষ্পা ভয় পাবে কেন, সেটাও আর একটা প্রশ্ন। সেখানে তো প্রার্থী হাঁটলেই বস, বস- বলে ভিডিয়ো আসত। পুরো বিষয়টা খতিয়ে দেখছে তৃণমূল।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.