Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
ED

সাতসকালে ফের অ্যাকশনে ইডি, পুর নিয়োগ মামলায় শহরের একাধিক জায়গায় তল্লাশি

কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার ঘেরাটোপে চলছে এই তল্লাশি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ০৯:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ০৯:৫৯

options
link
সাতসকালে ফের অ্যাকশনে ইডি, পুর নিয়োগ মামলায় শহরের একাধিক জায়গায় তল্লাশি zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাতসকালে ফের অ্যাকশনে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নতুন করে অভিযানে তদন্তকারী সংস্থা। বেলেঘাটা-সহ শহরের বেশ কয়েকটি জায়গায় মঙ্গলবার সকালে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, পুর নিয়োগ মামলায় বেশ কিছু নতুন তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। বেশ কয়েকটি সংস্থার নাম সামনে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই বেলেঘাটার ৭৫ নম্বর হেমচন্দ্র নস্কর রোডের একটি বাড়িতে হানা দেয় ইডি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ঘেরাটোপে ছয়জনের একটি ইডির দল সেখানে তল্লাশি চালাচ্ছে। এছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি জায়গাতেও কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশি চালাচ্ছেন বলেই খবর।

জানা যাচ্ছে, বেলেঘাটার যে বাড়িতে এদিন সকাল থেকে ইডি আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন সেটি দুই ব্যবসায়ীর। সম্পর্কে দুজনে ভাই। একজনের নাম বিশ্বজিৎ চৌধুরী এবং অপরজনের নাম রণজিৎ চৌধুরী। বিশ্বজিৎ দীর্ঘ সময় ধরে কাপড়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ছোট ভাই নির্মাণ সংস্থা, রিয়েল এস্টেটের সঙ্গে যুক্ত বলে ইডি সূত্রে খবর। তবে ঠিক কীভাবে এই দুই ব্যবসায়ী নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত সে বিষয়ে ইডির তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি।

Advertisement

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘদিন ধরেই তদন্ত চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অয়ন শীল-সহ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। তাঁদের জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ধীরে ধীরে রহস্যের শিকড়ের কাছাকাছি পৌঁছচ্ছেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্রে ধরে চলতি মাসের শুরুতেই কলকাতার একাধিক জায়গায় হানা দেন ইডির অফিসাররা। এমনকী মন্ত্রী সুজিত বসুর সল্টলেকের অফিস এবং তাঁর ছেলের রেস্তরাঁতেও অভিযান চলে। দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই অভিযান। যদিও ইডির এই অভিযানকে বিশেষ গুরুত্ব দেননি সুজিত বসু। তাঁর কথায়, “প্রত্যেকবার ভোটের আগেই ওরা এটা করে। বাড়ি, অফিস সব জায়গায় যায়। আগেও রেড করে কিছু পায়নি। ভোটের আগে চাপ তৈরি করতে এসব করে।” সেই রেশ কাটতে না কাটতে ফের পুর নিয়োগ মামলায় তৎপর কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.