সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্য সভাপতির সঙ্গে বৈঠকের পর মঙ্গলবার রাতেই শোনা গিয়েছিল দিল্লি যাচ্ছেন দিলীপ ঘোষ। তাতেই নানাবিধ জল্পনার শুরু। বুধবার প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে তা নিয়েই মুখ খুললেন দিলীপ। জানিয়ে দিলেন, এই দিল্লি সফর একেবারেই অফিসিয়াল নয়। তাহলে কেন যাচ্ছেন? তা খোলসা করেননি বিজেপি নেতা। তবে দীর্ঘদিন পরে ফের সেই চেনা মেজাজে ধরা দিলেন তিনি।
‘উনিশে হাফ, একুশে সাফ’ এই স্লোগানকে হাতিয়ার করে একুশের বিধানসভায় প্রচার সেরেছিলেন দিলীপ। কিন্তু ৭৭-এই থামতে হয় বিজেপিকে। লোকসভা ভোটে প্রার্থী করা হলেও ‘ঘর’ খড়গপুর ছাড়তে হয় তাঁকে। দুর্গাপুর-বর্ধমান কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে হারতে হয়। দলেরও পদ হারাতে হয় দিলীপকে। তারপরেও সংগঠনের কাজ চালিয়ে গিয়েছেন। কিছুদিন আগেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। কার্যত পার্টিলাইন অমান্য করেই জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের দিন দিঘায় হাজির হয়েছিলেন নবদম্পতি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে খোশগল্পও করেন। তারপর থেকেই দলীয় কর্মীদের একাংশের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যে এলেও তাঁদের কর্মসূচিতে ডাক পাননি বঙ্গ বিজেপির ‘পোস্টার বয়’ দিলীপ। এমনকী, শমীক ভট্টাচার্যের বরণ সভায়ও ডাক পাননি তিনি। যা দেখে রাজনৈতিক মহল মনে করছিল, বঙ্গ বিজেপিতে দিলীপ জমানার ইতি। কেউ কেউ বলতে শুরু করেছিলেন, একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে ফুল বদল করবেন তিনি।
মঙ্গলবার সেই সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে দেন শমীক ও দিলীপ। নয়া রাজ্য সভাপতির আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে সল্টলেকের রাজ্যদপ্তরে পৌঁছে যান তাঁর পূর্বসূরি। দুজনের মধ্যে কথাও হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে দিলীপ বলেন, “যখন দলে এসেছিলাম তখন শমীকদা আমার সিনিয়র ছিলেন। নতুন-পুরনো সব কর্মীরা মিলেই দলকে এই জায়গায় এনেছে। লড়াই জারি থাকবে। শমীকদার নেতৃত্বেই নবান্নে পরিবর্তন আসবে।” এরপরই রাতে খবর আসে দিল্লিতে ডাক পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ। কথা বলবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বুধবার দিলীপ বলেন, “আমি প্রায়ই দিল্লি যেতাম। ওখানে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি। কাল বৈঠক হয়েছে বলে অনেকে অনেক কথা বলছে। তবে অফিসিয়াল কাজে যাচ্ছি না।” পাশাপাশি একুশের মঞ্চে তৃণমূলে যোগদান নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। দিলীপের কথায়, “এতদিন ওরা একরকম কথা হাওয়ায় ভাসিয়েছে। কাল থেকে আবার ভাবতে বসেছে এবার কী বলা যায়। যে যা পারে বলুক। কী এসে যায়।”
সর্বশেষ খবর
-
চিন সীমান্ত ছিল ৫ মিনিট দূরেই! নেপালের ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ পেরতে পেরেছিলেন শর্মিষ্ঠা? স্ত্রীর চিন্তায় দিশেহারা শুভ্রাংশু
-
পাক ম্যাচে বিরাট ভুল, কুলদীপের উপর রেগে আগুন সূর্য, ভাইরাল ভিডিওর নেপথ্যে কোন ঘটনা?
-
গোরক্ষপুরকে স্পেনের সঙ্গে তুলনা রবি কিষানের! হেসে লুটোপুটি যোগী আদিত্যনাথ
-
কাউন্সেলিং শেষ, শীঘ্রই চিকিৎসকদের সিনিয়র রেসিডেন্ট পদে নিয়োগ! বড় ইঙ্গিত স্বাস্থ্যকর্তার
-
কোহলির থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বুমরাহ! সবার উপরে কে? ভারতের সর্বকালের সেরা বাছলেন অশ্বিন