Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৬ জুলাই ২০২৬
Signature Scandal

সই কাণ্ডের নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র! সমাধানসূত্রের খোঁজে কালীঘাটে বৈঠকে কল্যাণ-মদন-শোভনদেবরা

সই কাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করার পরই তৃণমূল বহিষ্কার করেছে দুই বিধায়ককে।

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২৬, ১৩:৫৫

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২৬, ১৩:৫৫

options
link
সই কাণ্ডের নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র! সমাধানসূত্রের খোঁজে কালীঘাটে বৈঠকে কল্যাণ-মদন-শোভনদেবরা zoom
সই কাণ্ডের নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র! সমাধানসূত্রের খোঁজে কালীঘাটে বৈঠকে কল্যাণ-মদন-শোভনদেবরা

বিধানসভায় সই বিতর্কে (Signature Scandal) উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। ঠিক কী ঘটেছে, তা জানতে তদন্ত করছে সিআইডি। কীভাবে আইনি পথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হবে? সেই সমাধানসূত্র খুঁজতে সোমবার কালীঘাটের তৃণমূল সুপ্রিমোর বাড়িতে বৈঠক করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee), মদন মিত্র (Madan Mitra), শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজন বর্ষীয়ান নেতা। তাঁদের অনুমান, সই কাণ্ডের নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র।  

সই কাণ্ডের সূত্রপাত ভোটের ফল ঘোষণার পর। গত ৬ মে বিধায়কদের নিয়ে কালীঘাটে তৃণমূলনেত্রী বৈঠক করেন। তাতে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Sovandeb Chattopadhyay) নাম প্রস্তাব করা হয়। ওইদিন যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা সকলে হাত তুলে শোভনদেবকে সমর্থন জানান। কিন্তু বিধানসভায় এই সংক্রান্ত যে প্রস্তাবনা জমা দিতে হয়, তা দেয়নি তৃণমূল। এরপর ১৩ ও ১৪ মে বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের শপথগ্রহণ হয়। শপথের পর নিয়ম মেনে সই করেন বিধায়করা। বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূলের কাছ থেকে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে প্রস্তাবপত্র চান বিধানসভার সচিব। তা জমা দিতে ১৯ মে ফের কালীঘাটের বৈঠক ডাকা হয় বিধায়কদের। ওইদিন কেউ ছিলেন, কেউ ছিলেন না। উপস্থিত সকলের সই নেওয়া হয় দলের তরফে। মিলিয়ে দেখা হয় ক’জন গরহাজির। পরে দলের প্রস্তাবিত বিরোধী দলনেতার নামে সমর্থন জানিয়ে ৭০ জনের সই করা একটি কাগজ জমা দেওয়া হয় বিধানসভায়। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, ওটাই বিরোধী দলনেতার প্রস্তাবনাপত্র। আর এখানেই গরমিল শুরু। দুই জায়গায় তৃণমূল বিধায়কদের সই না মেলায় জালিয়াতি সন্দেহ হয় সচিবের। তিনি থানায় এফআইআর করেন। তদন্তভার পেয়ে কাজ শুরু করে সিআইডি। এরপরই একাধিক তৃণমূল বিধায়ককে নোটিস দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এসবের মাঝেই তৃণমূলের দুই বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন,  ১৯ তারিখ কালীঘাটের অফিসে যে অ্যাটেনডেন্স খাতায় সই করানো হয়েছিল তারই পাতা ছিঁড়ে জমা দিয়ে নাকি রেজুলিউশনের কাগজ বলে দাবি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তাঁদের বহিষ্কারও করেছে দল। এই সই কাণ্ড নিয়ে তৃণমূল যে প্রবল অস্বস্তিতে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ঘটনাক্রম যে দিকে এগোচ্ছে তাতে দল বড় সমস্যার মুখে পড়ার আশঙ্কা থাকছেই। কোন পথে মোকাবিলা করা হবে এই সমস্যা, সেই রণকৌশল ঠিক করতেই  সোমবার কালীঘাটের তৃণমূল সুপ্রিমোর বাড়িতে বৈঠক করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজন বর্ষীয়ান নেতা। যদিও সেখানে ছিলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, নেতাদের ধারণা, সই কাণ্ড আদতে সুনিপুণভাবে সাজানো একটা ষড়যন্ত্র। যার বীজ বপন করা হয়েছিল অনেক আগেই। যদিও এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্য কে বা কারা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শোনা যাচ্ছে, আইনি পথে কীভাবে কী করা যায় তা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে সোমবারের ঘণ্টাখানেকের বৈঠকে।   

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.