তোলাবাজি, খুন ও হিসেব বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগে দিন কয়েক আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীকে (Debraj Chakraborty)। বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে তিনি। দফায় দফায় চলছে জেরা। সিট সূত্রে খবর, টানা জেরায় নাকি কান্নায় ভেঙে পড়েছেন দেবরাজ। তাঁর দাবি, ফাঁসানো হচ্ছে তাঁকে। হেফাজতে খাওয়া দাওয়াও বন্ধ করে দিয়েছেন দেবরাজ। মুখে একটাই প্রশ্ন, কতদিন আর বন্দি হয়ে থাকতে হবে?
তৃণমূল জমানায় রকেটের গতিতে উত্থান হয়েছিল দেবরাজ চক্রবর্তীর। নাম জড়িয়েছিল একাধিক দুর্নীতিতে। অদিতি মুন্সিকে বিয়ের পর তাঁকেও নিয়ে আসেন রাজনীতিতে। একুশের নির্বাচনে স্ত্রী বিধায়ক হতেই আরও ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠেন দেবরাজ। কয়েক বছরে হু হু করে বেড়েছে সম্পত্তির পরিমাণ। এছাড়া তোলাবাজি, খুনের অভিযোগ তো রয়েইছে। গ্রেপ্তারির পর আরও বিস্ফোরক অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। বাগুইআটি এলাকার এক জগন্নাথমন্দিরের প্রতিষ্ঠাতার থেকে নিয়মিত টাকা চাইতেন দেবরাজ। এক পর্য়ায়ে দানপাত্রই তুলে নিয়ে যান। দেবরাজের অত্যাচারে বাধ্য হয়ে মন্দির বিক্রি করে দেন বৃদ্ধ। এখানেই শেষ নয়, বেআইনি বলে পুরসভার তরফে নোটিস দিয়ে নাকি নির্মাণ কাজ বন্ধ করিয়ে দিতেন দেবরাজ। পরবর্তীতে ঘুরপথে টাকার বিনিময়ে ফের ওই নির্মাণে অনুমতি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ উঠেছে দেবরাজের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন:
গত কয়েকদিন ধরেই এসব নিয়েই টানা জেরা করা হচ্ছে দেবরাজকে। রবিবার মাঝরাতেও দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয় তাঁকে। সেখানে বেআইনি বলে নোটিস দিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করানো ও পরবর্তীতে কোন ম্যাজিতে তা চালু করা হত, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। সিট সূত্রে খবর, জেরায় দেবরাজ নাকি দাবি করেছেন, তিনি কিছুই জানতেন না। তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। অপবাদ দেওয়া হয়েছে। টানা জেরার মুখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তৃণমূলের দাপুটে নেতা।
সর্বশেষ খবর
-
রাম মন্দিরে প্রণামী চুরি বিতর্কে চম্পত রাইয়ের ইস্তফা গৃহীত, ট্রাস্টের শীর্ষপদে এবার কে?
-
‘কাস্তেটা শান দিও বন্ধু’, উচ্ছেদ-বিরোধিতা বড় অস্ত্র! বর্ধমানে ফের চাঙ্গা হচ্ছে সিপিএম
-
ভিক্ষুর আত্মাহুতি, জন্মদিনে দলাইকে মোদির শুভেচ্ছা, দিল্লির ‘তিব্বত চালে’ চাপে চিন!
-
‘আমার বাচ্চার মতোই যেন কষ্ট পায় শয়তানরা…’, ফুঁসে উঠলেন বারুইপুরের নির্যাতিতার মা
-
ছাতা হারানোর রোগ? কীভাবে সামলাবেন বর্ষার সঙ্গীকে, রইল ৫ অব্যর্থ উপায়