গত সপ্তাহেই তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বিধানসভার পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তী (Debraj Chakraborty)। দুর্নীতির তদন্তে নেমেই তৃণমূল নেতাক একের পর এক কীর্তি উঠে আসছে তদন্তকারীদের আতস কাচের তলায়। পুর এলাকায় কীভাবে নিজের প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতির শাখাপ্রশাখা বিস্তার করে ফেলেছিলেন দেবরাজ, তা স্থানীয়দের অভিযোগেই স্পষ্ট। এবার দেবরাজের বিরুদ্ধে স্কুলের জমি দখল করে টেনিস সেন্টার তৈরির অভিযোগ উঠল।
স্থানীয় সূত্রে খবর, দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের একটি জমি স্কুলে জন্য বরাদ্দ ছিল। কিন্তু সেখানেই নজর পড়েছিল তৎকালীন ‘প্রভাবশালী’ কাউন্সিলরের। অভিযোগ, দেবরাজের নির্দেশেই তাঁর দলবল ওই জমিটি দখল করে। পরে সেখানে টেনিস কোর্ট বানিয়ে ফেলা হয়। সরকার বদলের পরেই দেবরাজের দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেন বাসিন্দারা। রাজারহাট-গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারির কাছে নালিশও জানান তাঁরা।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ দেবরাজের প্রতিপত্তির নেপথ্যে দুর্নীতির পর্দাফাঁস হয় রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই। তাঁর বিরুদ্ধে বাগুইআটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন কেষ্টপুরের এক প্রোমোটার। পুর এলাকায় সিন্ডিকেট, তোলাবাজি, জমিজমা নিয়ে বেআইনি কারবারের অভিযোগ ছিল দেবরাজের বিরুদ্ধে। একুশের ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতেও অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। রক্ষাকবচের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে গেলেও দ্বিতীয়বার তাঁর আবেদন খারিজ হয়। গত বুধবার রাজ্য পুলিশের এসটিএফ ও বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের যৌথ উদ্যোগে পুরুলিয়া থেকে গ্রেপ্তার হন দেবরাজ। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ৮ টি মামলার ভিত্তিতে তদন্তে সিটের আট সদস্যের একটি দল ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে নেমেছে ময়দানে। এখন দেখার, দুর্নীতির জমি খুঁড়তে খুঁড়তে শিকড়টা ঠিক কত গভীরে মেলে।
সর্বশেষ খবর
-
‘কোনওভাবেই কিলবিশ হতে পারব না’, ‘শক্তিমান’ সিনেমার কোটি টাকার প্রস্তাব ফিরিয়েছেন মুকেশ
-
বিধ্বস্ত নেপালে মৃতের সংখ্যা পাঁচশো ছুঁইছুঁই, আটকে বহু ভারতীয়, উদ্ধারকাজে বাড়ছে জটিলতা
-
‘দয়া করে দেহ দান করবেন না’, আর্জি জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বললেন, ‘জ্যোতি বসুর দেহ কাজেই লাগেনি’
-
মহামেডানে ডামাডোল অব্যাহত, দলকে কলকাতা লিগের শীর্ষে তুলেও পদত্যাগ কোচ মেহরাজউদ্দিনের
-
ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, স্কুলের প্রধানশিক্ষক-সহ ৫ জনের রক্তে লাল হল মাটি!