Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
CPM

খান-খান হয়ে যাওয়া তৃণমূলের ভোট টানতে ময়দানে সিপিএম, আন্দোলনের প্রস্তুতি আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের

আগামিদিনে এই সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে সংগঠনকে মজবুত করে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রস্তুতি শুরু সিপিএমের। ইতিমধ্যেই বুথভিত্তিক পর্যালোচনা শুরু করেছে জেলাগুলি।

Advertisement
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২৬, ১৫:৫৯

link
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২৬, ১৫:৫৯

options
link
খান-খান হয়ে যাওয়া তৃণমূলের ভোট টানতে ময়দানে সিপিএম, আন্দোলনের প্রস্তুতি আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের zoom
ফাইল ছবি।

তৃণমূল ভেঙে যাওয়ায় বিরোধী পরিসরে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে। এই শূন্যস্থান পূরণ করতে হবে। পার্টির প্রতি মানুষের মনে আস্থা ফেরাতে হবে। তাই রাজ্যজুড়ে লাগাতার আন্দোলনের প্রস্তুতি গড়ে তুলতে জেলাগুলিকে নির্দেশ দিল সিপিএম। হকারদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৩ ও ২৪ জুন পার্টির রাজ্য কমিটির বৈঠকে নির্বাচনী পর্যালোচনার পাশাপাশি আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হবে।

শূন্যের গেরো কাটিয়ে একটি আসন পাওয়া গিয়েছে। জোটের প্রার্থীও একটি আসনে জয় পেয়েছে। আগামিদিনে এই সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে সংগঠনকে মজবুত করে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রস্তুতি শুরু সিপিএমের। ইতিমধ্যেই বুথভিত্তিক পর্যালোচনা শুরু করেছে জেলাগুলি। আগামী রাজ্য কমিটির বৈঠকে আলিমুদ্দিনে পর্যালোচনা রিপোর্ট জমা দেবেন জেলার প্রতিনিধিরা। রাজ্য কমিটির এক সদস্য জানান, বুথভিত্তিক পর্যালোচনায় বেশ কিছু চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। যেমন, বিজেপি সমস্ত হিন্দুদের ভোট পেয়েছে বলে দাবি করলেও তা সঠিক তথ্য নয়। হিন্দু ভোট, বিশেষ করে শহরাঞ্চল ও মফস্বলের বর্ধিষ্ণু হিন্দুদের একটি বড় অংশ বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। এর বেশিরভাগ অংশ পেয়েছে তৃণমূল। কিছু সিপিএম। তৃণমূল এখন ক্ষয়িষ্ণু। সংখ্যালঘুদের পাশাপাশি এই অংশের হিন্দু ভোটের সমর্থন পার্টিতে ফিরিয়ে আনার জন্য সময়োপযোগী কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। সেই সঙ্গে সংখ্যালঘু ভোটকে পাখির চোখ করে এগোলে ভবিষ্যতে পার্টির জনসমর্থন ফিরে পাওয়া কঠিন হবে না। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য কমিটির বৈঠকে আলোচনা হবে বলে জানান রাজ্য কমিটির ওই সদস্য।

Advertisement

রাজ্য কমিটির এক সদস্য জানান, বুথভিত্তিক পর্যালোচনায় বেশ কিছু চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। যেমন, বিজেপি সমস্ত হিন্দুদের ভোট পেয়েছে বলে দাবি করলেও তা সঠিক তথ্য নয়। হিন্দু ভোট, বিশেষ করে শহরাঞ্চল ও মফস্বলের বর্ধিষ্ণু হিন্দুদের একটি বড় অংশ বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। এর বেশিরভাগ অংশ পেয়েছে তৃণমূল। কিছু সিপিএম।

পাশাপাশি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ১৫ বছর কেটে গেলেও বুথ ভিত্তিক সংগঠন শক্তিশালী করা যায়নি। তাই শাখা স্তরে সংগঠন পুনর্গঠন করা এবং কর্মী-সমর্থকদের সক্রিয় রাখতে সঠিক কর্মসূচি গ্রহণের উপর জোর দেওয়া হবে বৈঠকে। বিশেষ করে বেকারত্ব, কৃষকের ফসলের দাম, শ্রমিকদের অধিকার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ইস্যুতে আন্দোলন সংগঠিত করা। শুধুমাত্র বিবৃতি দিয়ে গণআন্দোলনের মাধ্যমেই মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে বলেই মনে করছে সিপিএম নেতৃত্ব। আবার নতুন প্রজন্মকে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করা এবং ছাত্র-যুব আন্দোলনের বিস্তার ঘটানো। পার্টির আলোচনায় যুব সদস্য বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা ও কৌশল নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানান রাজ্য কমিটির ওই সদস্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.