Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
CPM

যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলতে তরুণীকে ২৫ লাখ অফার! সিপিএমের আইনজীবীর কেলেঙ্কারিতে নয়া তথ্য

চেম্বারে ফলস সিলিং দিয়ে তৈরি হয়েছে একটি অ্যান্টিচেম্বার, সেখানেই অভিযুক্ত কুকীর্তি চালান বলে অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৩:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৩:৩৫

options
link
যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলতে তরুণীকে ২৫ লাখ অফার! সিপিএমের আইনজীবীর কেলেঙ্কারিতে নয়া তথ্য zoom
সিপিএম আইনজীবী প্রায়ই তাঁর প্রায় ৩০ জন জুনিয়র মহিলা আইনজীবীর মধ্যে একটি অংশকে যৌন হেনস্তা করতেন বলে অভিযোগ

সিপিএম (CPM)-ঘনিষ্ঠ আইনজীবীর আরও কেলেঙ্কারি ফাঁস! ওই আইনজীবী প্রায়ই তাঁর প্রায় ৩০ জন জুনিয়র মহিলা আইনজীবীর মধ্যে একটি অংশকে যৌন হেনস্তা করতেন বলে অভিযোগ বিভিন্ন মহলের। সম্প্রতি ওই আইনজীবীরই এক মহিলা জুনিয়র সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিমকে চিঠি লিখে অভিযোগ জানিয়ে বলেন, সিনিয়র ওই আইনজীবী যৌন হেনস্তা করেছেন। অসমর্থিত সূত্রের খবর, এর পরই ওই মহিলা আইনজীবীকে অভিযোগটি তুলে নেওয়ার জন্য ২৫ লাখ টাকা অফার করেন ওই আইনজীবী। যদিও অভিযোগকারিণী কোনও সাড়া দেননি বলেই সূত্রের খবর। তবে এই ব্যাপারে কোনও মহল থেকেই কেউ মুখ খুলতে চাননি।

ওই আইনজীবীকে প্রায়ই বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে বামেদের হয়ে গলা ফাটাতে দেখা যায়। সম্প্রতি ওই মহিলা আইনজীবী অভিযোগ জানিয়ে এমনও দাবি করেন যে, ওই ‘কমরেড’-এর লালসার শিকার অনেক মহিলা আইনজীবী, যাঁরা তাঁর জুনিয়র। এই ব্যাপারে অসমর্থিত সূত্রের খবর, কোর্টপাড়া বলে পরিচিত মধ্য কলকাতার জায়গাটিতে রয়েছে সিপিএমের ঘনিষ্ঠ ওই আইনজীবীর চেম্বার। তাঁর জুনিয়রের সংখ্যা প্রায় ৩০ জন। তাঁদের মধ্যে প্রায় প্রত্যেকেই মহিলা। এছাড়াও চেম্বারে রয়েছেন দু’জন করণিক। চেম্বার দেখাশোনা করেন ওই আইনজীবীর এক পরিজন। চেম্বারে ফলস সিলিং দিয়ে তৈরি হয়েছে একটি অ্যান্টিচেম্বার, যা ‘বেডরুম’ বলে দাবি করেছেন ওই আইনজীবীর পরিচিতরাই। যৌন হেনস্তার ক্ষেত্রে ওই অ্যান্টিচেম্বারটিই ‘সিন অফ ক্রাইম’ বলে দাবি অনেকের। আদালত থেকে চেম্বারে ফেরার পর ওই মহিলা জুনিয়রদের কয়েকজন বাধ্য হন তাঁর কালো কোট-সহ পরনের পোশাক, এমনকী, জুতো-মোজাও খুলিয়ে দিতে। তিনি সাধারণ পোশাক পরে চেম্বারে বসেন। ক্লায়েন্টরা এলে তাঁদের সঙ্গে বড়জোর রাত আটটা পর্যন্ত কথা বলেন বা আলোচনা করেন। এরপর দুই পুরুষ করণিকের ডিউটি শেষ হয়ে যায়। তাঁরা বেরিয়ে যান। আর তারপরই ওই আইনজীবী তাঁর অ্যান্টিচেম্বার তথা বেডরুমে চলে যান। আর গভীর রাত পর্যন্ত ওই অ্যান্টিচেম্বার হয়ে ওঠে তাঁর ‘লীলাক্ষেত্র’।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ওই আইনজীবী নিজের পছন্দমতো জুনিয়রকে ডেকে পাঠান ওই অ্যান্টিচেম্বারে। আইনজীবীর ওই পরিজন বাইরে ‘পাহারা’ দেন, যাতে ভিতরে কেউ প্রবেশ করতে না পারে। কোনও মহিলা আইনজীবী তাঁর আচরণের প্রতিবাদ জানালে তাঁর কাছে ওই আইনজীবী নিজেকে প্রভাবশালী ও ক্ষমতাবান বলে দাবি করেন। এলাকা সূত্রে খবর, কোনওদিন রাত বারোটা, আবার কোনওদিন রাত একটার সময়ও ওই আইনজীবীকে চেম্বার থেকে বের হতে দেখা যায়। সূত্রের খবর, ওই আইনজীবীর স্ত্রী তিতিবিরক্ত। আইনজীবীর স্ত্রী পেশায় চিকিৎসক। কিন্তু স্বামীর সঙ্গে থাকেন না। থাকেন ভিনরাজ্যে। কলকাতায় ওই পরিজনের সঙ্গেই থাকেন আইনজীবী। ঘনিষ্ঠমহলে ওই মহিলা জুনিয়র আইনজীবীদের অনেকেই জানিয়েছেন যে, তাঁরা সিনিয়র ওই আইনজীবীর অভব্য আচরণ ও যৌন হেনস্তায় বিরক্ত। কিন্তু তাঁরা মুখ খুলতে ভয় পান। কারণ, মুখ খুললে তাঁদের ক্ষতি হতে পারে, এমন হুমকি তাঁদের প্রায়ই শুনতে হয়। সূত্রের খবর, তাঁদেরই ওই সহকর্মী মহিলা আইনজীবী লিখিত অভিযোগ জানানোর পর তাঁদের অনেকে এগিয়ে আসার সাহস পেয়েছেন। তাঁদের কয়েকজন ওই আইনজীবীর অভব্য আচরণের প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযোগ জানানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। যদিও এখনও পুলিশের কাছে কেউ অভিযোগ জানাননি বলে জানা গিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.