গোবিন্দ রায়: সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একাধিক মাধ্যমে কুরুচিকর এবং অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচীর বিরুদ্ধে নোটিস জারি করল কলকাতা নগর আদালত। রাজ্যের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, সমাজমাধ্যম থেকে সংবাদমাধ্যম — একাধিক ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন কৌস্তভ। যার প্রেক্ষিতে মামলা দায়ের হয় নগরদায়রা আদালতে। তাঁকে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা আইনের ৩৫৬ (২) ধারায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, কলকাতা নগর দায়রা আদালতের বিচারক সুকুমার রায় তাঁকে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ২২৩ ধারায় ডেকে পাঠিয়ে বক্তব্য শুনবে। ১৮ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানি। সেদিনই কৌস্তুভকে হাজির হতে হবে। সম্প্রতি কৌস্তভের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছিল টালিগঞ্জ থানাতেও। অভিযোগ, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দীপক ঘোষের বইয়ের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে ‘বেলাগাম আক্রমণ’ করেছেন ওই বিজেপি নেতা।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে লেখা একটি বই ঘিরে আপাতত বিতর্ক তুঙ্গে। জনৈক দীপক ঘোষের লেখা বইটিতে প্রচুর তথ্য বিকৃত করা, অবমাননাকর কথা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেকের অভিযোগ, বইটিতে আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কুৎসা করা হয়েছে। এই বইয়ের তথ্য প্রথম সামনে আনেন বিজেপির তরুণ নেতা কৌস্তভ বাগচী। তা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় তিনি অপমানজনক বেশ কিছু মন্তব্য করেন। কৌস্তভের পর বিজেপির একাধিক নেতাকেও এনিয়ে কুরুচিকর ‘মজা’ করতে দেখা গিয়েছে। ওই বইতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও বারাসতের তৃণমূল সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও তাঁর চিকিৎসক স্বামীকে নিয়ে বিভ্রান্তকর তথ্য রয়েছে বলে এবার অভিযোগে সরব সাংসদপুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। তিনিই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা