Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
CM Suvendu Adhikari

সেপ্টেম্বরের শুরুতেই পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, মিলবে অনুদান?

হাতে মেরেকেটে আর মাস দেড়েক সময়। তারপরেই পুজোর ঢাকে কাঠি পড়বে। শারদোৎসবে মাতোয়ারা হবে বাংলা। সেই আবহেই এবার পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ২২:০৯

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ২২:০৯

options
link
সেপ্টেম্বরের শুরুতেই পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, মিলবে অনুদান? zoom
পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর।
Advertisement

হাতে মেরেকেটে আর মাস দেড়েক সময়। তারপরেই পুজোর ঢাকে কাঠি পড়বে। শারদোৎসবে মাতোয়ারা হবে বাংলা। সেই আবহেই এবার পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতা-সহ রাজ্যের দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি নিয়ে এই বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে খবর। সেপ্টেম্বর মাসের ৭ তারিখ ওই বৈঠক হবে। আজ, সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকের সময় এই কথা নিজেই জানিয়েছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল জমানায় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দিত সরকার। সেই অনুদান কি এবার মিলবে? সেই নিয়ে কোনও বিশেষ বার্তা পাওয়া যাবে? সেই জল্পনা শুরু হয়েছে।

তৃণমূল আমলে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছোট-বড় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান দিতেন। আগস্ট মাসেই কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে সেই বৈঠক পুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে সেরে ফেলতেন মমতা। সেই বৈঠকেই প্রতি বছর অনুদানের অঙ্ক ঘোষণা করতেন তিনি। এছাড়াও বিদ্যুতের বিল, দমকল বিভাগের ছাড়পত্র-সহ একাধিক বিষয়ে ঢালাও সুযোগসুবিধার কথাও ঘোষণা করতেন মমতা। গত বছর রাজ্যের প্রায় ৪৫ হাজার দুর্গাপুজো কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছিল।

Advertisement

এবার রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথমবার বিজেপি বিপুল জনমত নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। দুর্গাপুজোয় অষ্টমীর অঞ্জলি দিতে এবার কলকাতায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই কথা প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। সনাতনী মতে পুজো হবে, সেই বার্তাও বঙ্গ বিজেপির একাধিক নেতৃত্ব জানিয়েছিলেন। বিজেপি সরকারে আসার পর পুজোর অনুদান কী হবে? সেই টাকা কি কমিটিগুলিকে নতুন সরকার দেবে? সেই প্রশ্ন উঠেছে। শুভেন্দু অধিকারীর সরকার এবার দুর্গাপুজো নিয়ে কী বিশেষ বার্তা দেয়, সেই গুঞ্জনও চলছে।

শারদোৎসবের সঙ্গে এই মুহূর্তে জড়িয়েও আছে বাংলার অর্থনীতি, কর্ম সংস্থান। এইসময় মানুষজন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতেও যান। পুজোর মরসুমের সঙ্গে পর্যটনও জড়িয়ে। নতুন সরকার আসার পর শারদোৎসব কীভাবে রাজ্যে পালিত হবে। সরকার কতটা নিয়ম-নীতিতে ছাড় দেবে, সেই চর্চা চলছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে পুজো কমিটিগুলির বৈঠকে কোন কোন দিক উঠে আসে। সেই কথাও চর্চায় রয়েছে। পুজোর সময় কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পুলিশি নিরাপত্তা আঁটসাঁট থাকে। যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য রাস্তায় পুলিশ কর্মীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়। এবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে প্রাথমিক সেই চিত্র ফুটে উঠবে। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.