Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Suvendu Adhikari

সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর

২০১৯ সালে সিএএ আন্দোলনে সবথেকে বেশি সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগ উঠেছিল মুর্শিদাবাদ, হাওড়া এলাকায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১৯:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১৯:৪৭

options
link
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর zoom
ফাইল ছবি।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অর্থাৎ সিএএ আইন হিসাবে কার্যকর হওয়ার পরেই উত্তাল হয়ে ওঠে দেশ। যার প্রভাব পড়ে বাংলাতেও। সিএএ বিরোধী আন্দোলনে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটানো হয় বলে অভিযোগ। আর সেই ঘটনায় এবার কড়া পদক্ষেপ শুভেন্দু সরকারের। প্রত্যেকটি অভিযোগ রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তকে খতিয়ে দেখার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ‘বিশেষ সেল’ গঠনেরও নির্দেশ তিনি দিয়েছেন বলে খবর।

গত ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অর্থাৎ সিএএ বিল পাশ হয়। লোকসভা এবং রাজ্যসভাতেই এই বিল পাশ হয়। এরপরেই সেই বিল পাঠানো হয় রাষ্ট্রপতির কাছে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে তা আইন হিসাবে কার্যকর হয়। এরপরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ দানা বেঁধেছিল। যার প্রভাব পড়ে বাংলাতেও। সিএএ আন্দোলন একেবারে ধংসাত্মক আকার নেয়। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি সম্পত্তিতে ভাঙচুর চালানো হয়। শুধু তাই নয়, আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকী রেলেও চলে তাণ্ডব। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এবার ‘২০১৯-এর সিএএ বিরোধী হিংসা’র ফাইল খুলতে চলেছে।

Advertisement

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ দানা বেঁধেছিল। যার প্রভাব পড়ে বাংলাতেও। সিএএ আন্দোলন একেবারে ধংসাত্মক আকার নেয়। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি সম্পত্তিতে ভাঙচুর চালানো হয়। শুধু তাই নয়, আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকী রেলেও চলে তাণ্ডব।

রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) স্পষ্ট নির্দেশ, ২০১৯ সালে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় যত অভিযোগ দায়ের হয়েছিল, প্রত্যেকটির তদন্ত হবে। এজন্য ‘বিশেষ সেল’ গঠন করতে হবে বলেও নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। বিশেষ এই সেলের দপ্তর হবে ভবানীপুরে। রাজ্য পুলিশকে এক্ষেত্রে সাহায্য করবে রেলও। জানা গিয়েছে, সেই সময় রেলের যে সমস্ত ট্রেনে এবং স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটেছিল, সেই সমস্ত তথ্য এবং নথি বিশেষ সেলকে দিয়ে সাহায্য করবে জিআরপি। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, তদন্তে কারোর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ করা হবে বলে সিদ্ধান্ত সরকারের।

রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর স্পষ্ট নির্দেশ, ২০১৯ সালে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় যত অভিযোগ দায়ের হয়েছিল, প্রত্যেকটির তদন্ত হবে। এজন্য ‘বিশেষ সেল’ গঠন করতে হবে বলেও নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। বিশেষ এই সেলের দপ্তর হবে ভবানীপুরে। রাজ্য পুলিশকে এক্ষেত্রে সাহায্য করবে রেলও।

বলে রাখা প্রয়োজন, ২০১৯ সালে সিএএ আন্দোলনে সবথেকে বেশি সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগ উঠেছিল মুর্শিদাবাদ, হাওড়া এলাকায়। উলুবেড়িয়ায় ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা যেমন ঘটে, তেমনই স্টেশনেও লুট চলে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, বেলডাঙা এলাকায় থানায় আগুন এবং ভাঙচুরের অভিযোগও সামনে আসে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.