Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
CM Suvendu Adhikari

লিভারের দুরারোগ্য ব্যাধিতে মৃত্যুর মুখে খুদে! জনতার দরবারে অসহায় বাবাকে সাহায্য ‘মানবিক’ মুখ্যমন্ত্রীর

জন্ম থেকেই সিরোসিস অব লিভার রোগে আক্রান্ত পাঁচ বছরের সৌম্যজিত্‍। এবার তাঁর চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সন্তানের জীবন বাঁচাতে তাকে কোলে নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে গিয়েছিলেন বাবা সঞ্জীব পাল। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁরা দেখা করেন।

বিধান নস্কর
বিধান নস্কর

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৮:০৪

link
বিধান নস্কর
বিধান নস্কর

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৮:০৪

options
link
লিভারের দুরারোগ্য ব্যাধিতে মৃত্যুর মুখে খুদে! জনতার দরবারে অসহায় বাবাকে সাহায্য ‘মানবিক’ মুখ্যমন্ত্রীর zoom
Advertisement

জন্ম থেকেই সিরোসিস অব লিভার রোগে আক্রান্ত পাঁচ বছরের সৌম্যজিত্‍। এবার তাঁর চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। সন্তানের জীবন বাঁচাতে তাকে কোলে নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে গিয়েছিলেন বাবা সঞ্জীব পাল। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁরা দেখা করেন। চিকিৎসার খরচ হিসেবে ওই পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য করা হল। দিল্লির হাসপাতালে ওই শিশুর অস্ত্রোপচার হবে। ওই হাসপাতালেই টাকা পাঠানো হবে জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় আশ্বস্ত হয়েছে ওই পরিবার।

প্রতি শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জনসাধারণের কথা শোনেন। বিধাননগরে মুখ্যমন্ত্রীর দরবার বসে। সাধারণ মানুষজন তাঁদের অভাব-অভিযোগ, আবেদন-নিবেদন নিয়ে তাঁর কাছে হাজির হচ্ছেন। এদিনও সেই কর্মসূচিতে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তর ২৪ পরগনার সুদূর বসিরহাট থেকে পাঁচ বছরের ছেলেকে কোলে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন সঞ্জীব পাল। ছোট্ট সৌম্যজিত্‍ সিরোসিস অব লিভার রোগে আক্রান্ত। জন্ম থেকেই এই দুরারোগ্য রোগে সে আক্রান্ত। চিকিৎসাও চলছে। 

Advertisement

সম্প্রতি চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সৌম্যজিতের লিভার প্রতিস্থাপন করতে হবে। সেজন্য মোট ৩০ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। দিল্লির হাসপাতালে ওই অস্ত্রোপচার হবে। কিন্তু এত টাকা কীভাবে জোগাড় করা সম্ভব? তাই ভেবেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল ওই সাধারণ নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের।

সম্প্রতি চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সৌম্যজিতের লিভার প্রতিস্থাপন করতে হবে। সেজন্য মোট ৩০ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। দিল্লির হাসপাতালে ওই অস্ত্রোপচার হবে। কিন্তু এত টাকা কীভাবে জোগাড় করা সম্ভব? তাই ভেবেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল ওই সাধারণ নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের। ওই পরিবারের পাশে সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছে কয়েকজন। বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়। এখন অবধি মোট ১৫ লক্ষ টাকা উঠেছে। বাকি টাকা কীভাবে উঠবে? এদিকে দিনও পেরচ্ছে। সেই দুর্ভাবনা অস্থির করে তুলেছিল ওই পরিবারকে।

শেষপর্যন্ত ছেলেকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আশায় উপস্থিত হলেন বাবা সঞ্জীব পাল। সঙ্গে ছিলেন ‘মিশন সৌম্যজিৎ’-এর প্রতিনিধিরা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। ওই শিশুর অসুস্থতার সব তথ্য খতিয়ে দেখেন। সৌম্যজিতের চিকিৎসার জন্য ১০ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লির যে হাসপাতালে চিকিৎসা হবে, সেখানে ওই টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। বাকি পাঁচ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করার কাজ শুরু হবে বলে পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে আশাহত হবেন না, এমনই মনে করেছিলেন সঞ্জীব পাল। শুভেন্দু অধিকারী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় ছেলেকে সুস্থ করার আশায় বুক বাঁধছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.