Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Suvendu Adhikari

‘দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে’, উচ্চমাধ্যমিকে কৃতীদের ভিডিও কলে শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর

উচ্চ মাধ্যমিকে পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ। মেধাতালিকায় রয়েছেন ৬৪ জন।

মলয় কুণ্ডু
মলয় কুণ্ডু

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২৬, ১৬:২৭

link
মলয় কুণ্ডু
মলয় কুণ্ডু

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২৬, ১৬:২৭

options
link
‘দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে’, উচ্চমাধ্যমিকে কৃতীদের ভিডিও কলে শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর zoom
১৪ মে, বৃহস্পতিবার। উচ্চ মাধ্যমিকে কৃতীদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী।
Advertisement

আজ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল (WBCHSE Class 12 result) প্রকাশিত হয়েছে। পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ। মেধাতালিকায় রয়েছেন ৬৪ জন। পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পরে মেধাতালিকায় থাকা দুই পড়ুয়াকে ভিডিও কল করে শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি এদিন প্রথম স্থানাধীকারী নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র আদৃত পাল ও পঞ্চম স্থানাধীকারী শ্রীরামপুর রমেশচন্দ্র গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী মেঘা মজুমদারের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের অভিভাবকদের সঙ্গেও কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু জানান, রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের কাছে এক অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই কৃতীরা।

দুই কৃতী পড়ুয়াকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, কয়েকদিনের মধ্যে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ে ডেকে সংবর্ধনা জানানো হবে।

ফলাফল প্রকাশের পরেই শুভেন্দু প্রথমে আদৃতকে ভিডিও কল করেন। সেই সময় উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধীকারী বাড়িতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেই ছিলেন। শুভেন্দু ভিডিও কলে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গেও কথা বলেন। এরপর মেঘা মজুমদার ও তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। দুই কৃতী পড়ুয়াকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, কয়েকদিনের মধ্যে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ে ডেকে সংবর্ধনা জানানো হবে।

Advertisement

এবিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী সোশাল মিডিয়ায় লেখে, “ওদের এই অসামান্য সাফল্যে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং একাগ্রতার মাধ্যমে ওরা সমগ্র রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের কাছে এক অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে চলার জন্য ওদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি। আমি আশাবাদী, ভবিষ্যতেও ওরা নিজেদের মেধা ও প্রতিভার মাধ্যমে বাংলা তথা দেশের নাম উজ্জ্বল করবে।”

উল্লেখ্য, ৪৯৬ নম্বর পেয়ে রাজ্যে প্রথম হয়েছেন আদৃত। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬। তাঁর এই সাফল্যের কৃতিত্ব নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ ও অন্যান্য শিক্ষক এবং পরিবারকে দিয়েছেন আদৃত ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। অন্যদিকে শ্রীরামপুর রমেশচন্দ্র গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী মেঘা মজুমদার মেধাতালিকায় পঞ্চম স্থান অধিকার করেছেন। তিনি মেয়েদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯২।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.