‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আমরা বাংলাদেশের মতো ইসলামিক একটা দেশে যুক্ত হয়ে যেত।’ বঙ্গ বিধানসভার এতিহ্যের কথা তুলে এভাবেই শ্যামাপ্রসাদের অবদানের কথা তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আজ, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রক, রাজ্য সরকার এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মধ্যে ন্যাশনাল ই-বিধান অ্যাপ্লিকেশন (NeVA) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি মউ স্বাক্ষর হয়। যেখানে ডিজিটালাইজেশনে জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আর সেখানেই এদিন শ্যামপ্রসাদের অবদানের কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।
এই বিষয়ে আরও খবর
সাংবাদিক বৈঠকে এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ”শ্যামপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন বলেই আজ ভারতের সঙ্গে বাংলা। না হলে বাংলাদেশের মতো ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যেত।” তাঁর কথায়, ১৯৪৭ সালে বাংলার এই বিধানসভাতেই (আগে-আইনসভা) অন্তর্ভুক্তির জন্য রেজুলেশন নিয়ে এসেছিলেন। সেই সময় ৫৮ জন তাঁকে সমর্থন করেছিলেন। তাঁরা বলেছিলেন, আমরা তো হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ। আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে কেন যাব। আর এভাবেই তিনি আমাদের বাঁচিয়েছিলেন, মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর। ফলে এই বিধানসভার গুরুত্ব অপরিসীম বলেও ব্যাখ্যা তাঁর। আর এমন একটা বিধানসভার আধুনিকীকরণ কতটা প্রয়োজন সেই কথাও এদিন তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।
পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার কোনও কেন্দ্রীয় প্রকল্পে যুক্ত হয়নি। সেই তালিকায় ছিল ‘ওয়ান নেশন ওয়ান অ্যাপ্লিকেশনে’র মতো প্রকল্পও। যা অনেক বেশি স্বচ্ছ এবং আধুনিক। রয়েছে একাধিক ডিজিটালাইজেশনের সুবিধাও। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কথায়, এখনও পর্যন্ত এই বিধানসভায় কাগজে ভোট হয়। ইলেকট্রনিক্স সিস্টেম এখনও কাজ করে না। এমনকী এত বড় বিধানসভা হওয়া সত্ত্বেও এখানে লাইভ স্ট্রিমিং হয় না। এই বিষয়ে আগের সরকার কোনও পদক্ষেপই আগের সরকার নেয়নি বলে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার



