Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

‘নির্বাচন এলেই পুলওয়ামা করতে হয়!’ পহেলগাঁও কাণ্ডে সেনাকে সম্মান জানিয়ে বিজেপিকে খোঁচা মমতার

'কেন্দ্র সরকারের আরও স্ট্রং হওয়া উচিত ছিল', বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২৫, ১৮:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২৫, ১৮:৫৪

options
link
‘নির্বাচন এলেই পুলওয়ামা করতে হয়!’ পহেলগাঁও কাণ্ডে সেনাকে সম্মান জানিয়ে বিজেপিকে খোঁচা মমতার zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় ২৬ নিরীহ মানুষের প্রাণহানি, তার পরবর্তী সময়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের ডেরা ভেঙে পাকিস্তানকে শিক্ষা দিতে ভারতীয় সেনার প্রত্যাঘাত। তাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বেশ কয়েকটি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর পরাক্রমকে শ্রদ্ধা জানাতে রাজ্য বিধানসভায় মঙ্গলবার বিশেষ প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুলওয়ামা হামলার প্রসঙ্গ তুলে বিজেপিকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর খোঁচা, ”নির্বাচন আসলেই একটা পুলওয়ামা করতে হবে! এটা যেন না হয়।”

২০১৯ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সেনার কনভয়ে জঙ্গি হামলায় শহিদ হন ৪০ জন। কীভাবে এমন হামলা ঘটল? প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছিলেন কেউ কেউ। তার মধ্যে অন্যতম জম্মু-কাশ্মীরের তৎকালীন রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক। ঘটনার ৪ বছর পর এক সাক্ষাৎকারে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ ছিল, ”পুলওয়ামার সেই ঘটনার জন্য পদে পদে সরকারের ব্যর্থতা, দায়িত্বজ্ঞানহীনতা এবং অপরিপক্কতা দায়ী।”

Advertisement

মঙ্গলবার বিধানসভায় তাঁর সেই বক্তব্য তুলে ধরে কেন্দ্রকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশ্ন তোলেন, পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের নিরাপত্তা ছিল না কেন? তাঁর কথায়, ”সেনাদের সম্মান জানিয়ে, জন্মভূমিকে শ্রদ্ধা জানিয়েও বলব, কেন্দ্র সরকারের আরও স্ট্রং হওয়া উচিত ছিল।” 

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ”বাংলাই একমাত্র নির্বাচিত সরকার যেখানে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনা হচ্ছে। সব বিধানসভা, লোকসভায়, রাজ্যসভায় এই প্রস্তাব আনা উচিত।” রাজ্য সরকারের আনা এই প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েও বিজেপি এমন সব প্রশ্ন তুলেছে, যা যুক্তিহীন বলে মনে করে শাসক শিবির। তাই বিধানসভায় সেনাকে সম্মান জানানোর মতো মহৎ কাজেও সরকারের সঙ্গে একাত্ম হতে দেখা গেল না বিরোধী দলকে। বিজেপির এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, ”আমি জন্মভূমিকে শ্রদ্ধা জানাই। কিছু মানুষ দেশকে ভালোবাসে। আর কেউ কেউ নিজের ‘মার্কেটিং’ করতে ভালোবাসেন।’’ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর তীব্র কটাক্ষ, ”আপনি বিরোধী দলনেতা? লজ্জা! সামান্য ভদ্রতাও জানেন না। বিধানসভায় মিথ‍্যা বলছেন! বাইরে কী করেন কে জানে?”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.