সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: NRC ও CAA‘র প্রতিবাদে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কলকাতা পুরসভা চত্বর। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ কর্মীরা। দীর্ঘক্ষণ পর আয়ত্বে আসে পরিস্থিতি। তবে এখনও থমথমে এলাকা। যদিও এখনও বিক্ষোভ জারি রেখেছেন আন্দোলন কারীরা।
নাগরিকত্ব বিল আইনে পরিণত হওয়ার পর থেকেই বিরোধিতায় শামিল গোটা দেশ। বিভিন্ন প্রান্তে চলছে আন্দোলন। অন্যথা হয়নি এরাজ্যেও। ক্ষোভে একের পর এক ট্রেন ও বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। ব্যাপক ভাঙচুর করা হয় একাধিক গাড়িতে। নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় পথে নেমেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তিনি। শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে ২১ জানুয়ারি থেকে নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় কলকাতা পুরসভার বাইরে বিক্ষোভে শামিল হয় একটি সংগঠন। শনিবার সকালে বিক্ষোভকারীরা জমায়েতস্থলে চেয়ার পাততে শুরু করতেই অশান্তি সূত্রপাত। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা এদিন সকালে চেয়ার নামাতে শুরু করতেই তাঁদের বাধা দেয় পুরসভায় বাইরে থাকা পুলিশ আধিকারিকরা। এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা।
[আরও পড়ুন: আন্দোলনেই আস্থা, CAA প্রতিবাদে ফেব্রুয়ারিতে টানা কর্মসূচি বেঁধে দিলেন মমতা]
এরপরই পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি আয়ত্বে আনতে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। দীর্ঘক্ষণ পর স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। যদিও আন্দোলন থেকে পিছু হটতে নারাজ বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেই ফের পুরসভা চত্বরে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের কথায়, নতুন এই আইন বাতিল করতেই হবে। তাঁদের দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন জারি থাকবে এমনটাই জানান তাঁরা।
[আরও পড়ুন:CAA’র পর বেড়েছে ভারত থেকে বাংলাদেশে পালানোর প্রবণতা, দাবি বিএসএফ কর্তার]
সর্বশেষ খবর
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক
-
নতুন ফোন কেনার প্ল্যান? জুলাইয়ে ফ্লিপকার্টে চলবে সেল, কবে থেকে শুরু?
-
নার্স মৃত্যুর তদন্তে গড়িমসি! ‘যেন থানায় না যেতে হয়’, পুলিশকে ‘ধমক’ মন্ত্রী অশোকের
-
তিরুমালা মন্দিরে পুজো দিয়ে চুল উৎসর্গ অনন্ত আম্বানির, মন্দিরকে ২৫টি ইলেকট্রিক বাস দানের প্রতিশ্রুতি
-
অস্ত্র ছেড়ে সস্ত্রীক ঘরে আসুক, ১৪ বছর পর মাওবাদী ছেলেদের কাছে আর্জি দুই পরিবারের