Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৫ জুলাই ২০২৬
Abhishek Banerjee

শান্তিনিকেতনের পর কালীঘাটের বাড়িতে সিআইডি, ‘আদালতে যাব’, বলছেন অভিষেক

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বিধানসভার সই জালিয়াতি কাণ্ডের তদন্তে অভিষেকের বাড়ি গিয়েছে সিআইডি। শেষ পাওয়া তথ্য মোতাবেক বাড়ির গেট খোলা হয়নি।

Advertisement
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ২০:০৮

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ২০:০৮

options
link
শান্তিনিকেতনের পর কালীঘাটের বাড়িতে সিআইডি, ‘আদালতে যাব’, বলছেন অভিষেক zoom

হরিশ মুখার্জি রোডের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়িতে সিআইডির দল। চার জনের একটি দল অভিষেকের বাড়ি শান্তিনিকেতনে যান। দুপুর ১টার পর সেখানে যান সিআইডির আধিকারিকরা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বিধানসভার সই জালিয়াতি কাণ্ডের তদন্তে অভিষেকের বাড়ি গিয়েছে সিআইডি। শেষ পাওয়া তথ্য মোতাবেক বাড়ির গেট খোলা হয়নি। শান্তিনিকেতনের এক কর্মী স্মরজিৎ দের কথায়, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পরিবার বাড়িতে নেই।” তারপরই দুপুর আড়াইটে নাগাদ অভিষেকের কালীঘাট রোডের বাড়িতে যান সিআইডির আধিকারিকরা। সেখানেই নোটিস দেওয়া হয় তাঁকে। 

শনিবার দুপুরে তৃণমূল সাংসদ তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বাড়ির সামনে পৌঁছন রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার চার আধিকারিক। তাঁরা বেশ কিছুক্ষণ দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। ডাকাডাকির পর ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন শান্তিনিকেতনের এক কর্মী স্মরণজিৎ দে। তিনি আধিকারিকদের জানান, ভিতরে ঢোকার অনুমতি নেই। বাড়িতে অভিষেক ও তাঁর পরিবারের কেউ নেই। তিনি বলেন, “আমি কিছু জানি না। স্যর (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) ও তাঁর পরিবারের কেউ নেই। কোথায় গিয়েছেন আমি জানি না।” এরপরই সিআইডির আধিকারিকরা তাঁর নাম পরিচয় জেনে নেন। বাড়ির ভিতরে চলে যান ওই কর্মী। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, বিধানসভায় পরিষদীয় দলনেতা প্রস্তাবে সই কাণ্ডের তদন্তে অভিষেকের বাড়িতে গিয়েছেন তদন্তকারীরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে জয়ী বিধায়কদের নিয়ে একটি বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে কমবেশি ২৫ বিধায়ক গরহাজির ছিলেন। সূত্রের খবর, সেই মিটিংয়েই বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে পরিষদীয় নেতা বাছা হয়। সেই মর্মে চিঠিতে সই করা হয়। কিন্তু অনুপস্থিত বিধায়কদের সই কে বা কারা করল তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তারপরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেটারহেডে একটি চিঠি পাঠানো হয় বিধানসভায়। কিন্তু সেই সই নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। তারপরই বিধানসভা সচিবালয় এফআইআর দায়ের করে হেয়ার স্ট্রিট থানায়। তদন্তভার নেয় সিআইডি।

বৃহস্পতিবার রাতে চৌরঙ্গীর নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, ডোমজুড়ের তাপস মাইতি এবং ক্যানিং পূর্বের বাহারুল ইসলামের বাড়ি সিআইডি যায়। শুক্রবার সকালে সিআইডি আধিকারিকরা যান বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়ি। যান বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়িতেও।বাহারুল আগেই জানান, “তদন্তকারীরা আমার কাছে জানতে চান ৬ মে আমি কোথায় ছিলাম। আমি তাঁদের জানাই, ওই দিন আমি বাড়িতেই (ভাঙড়ে) ছিলাম। ওই দিনের একটি মিটিংয়ের সই আমায় দেখানো হয়। আমি তাঁদের বলি, ওই দিন আমি কোনও মিটিংয়ে যোগ দিইনি। ভোট-পরবর্তী হিংসার কারণে বাড়িতেই ছিলাম।” সেই ঘটনার তদন্তে এবার শান্তিনিকেতনের অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি। কালীঘাটের বাড়ির সামনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “নোটিস দেওয়া হয়েছে। সেখানে কী আছে জানি না। আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। আমি দমার ছেলে নই।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.