তৃণমূল বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডে এবার শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Sovandeb Chattopadhyay) বাড়িতে সিআইডি টিম। আজ শনিবার সকালে তৃণমূলের এই প্রবীণ বিধায়কের ভবানীপুরের বাড়িতে হাজির হন সিআইডির ৬ আধিকারিক। জানা গিয়েছে, তৃণমূল বিধায়কই আধিকারিকদের এদিন তাঁর বাড়ি আসতে বলেছিলেন। তদন্তকারীরা তৃণমূলের রেজোলিউশনের কপি খুঁজছিলেন। এদিন ওই কপি আধিকারিকদের হাতে তিনি তুলে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, সইয়ের দিন একজন বাদে তৃণমূল বিধায়কদের সকলেই উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রবীণ তৃণমূল নেতা শোভনদেব। বিদ্রোহী নেতারা চক্রান্ত করেছেন বলে তিনি এদিন অভিযোগ করেন। এদিন শোভনদেব বলেন, “কোর্টে কেস আছে। আমি একটা শব্দও বলব না। তবে ২০০ শতাংশ সহযোগিতা করেছি। আগামিদিনেও করব। এর বেশি কিছু বলার নেই। তবে এ সব যাঁরা করেছেন, বিশেষ ইন্টারেস্ট নিয়ে এসেই করেছেন।”
তৃণমূল বিধায়কদের সই জাল কাণ্ড নিয়ে রীতিমতো উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। রেজোলিউশন কপিতে তৃণমূল বিধায়কদের সই জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন তৃণমূলের বড় অংশের বিধায়করা। শুরু হয় তৃণমূল কংগ্রেসের মুষলপর্ব। একে একে তৃণমূল বিধায়করা ‘বিদ্রোহী’ শিবিরে নাম লেখাতে থাকেন। তাঁদের ‘আসল তৃণমূল’ হিসেবে দাবি করেন বিদ্রোহীদের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, এই মুহূর্তে তাঁরাই রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে ঘোষিত।
আরও পড়ুন:
এদিকে সই জাল কাণ্ডের অভিযোগের তদন্ত শুরু করে সিআইডি। রেজোলিউশনের কপি খোঁজার জন্য তৃণমূলের কালীঘাটের ওই কার্যালয়েও গিয়েছিল সিআইডি টিম। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করা হয়েছে। সই জাল কাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করা হয়েছিল। দিন কয়েক আগে সিআইডি অফিসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষকে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করা হয়েছিল।
জানা গিয়েছে, এর আগে ১১ ও ১৭ তারিখ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে সই জাল কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এদিন তৃণমূল বিধায়ক সিআইডি আধিকারিকদের নিজের বাড়িতে ডেকেছিলেন। তাঁদের হাতে ওই রেজোলিশনের কপি তুলে দেওয়া হয়। ঘণ্টাখানেক আধিকারিকরা ওই বাড়িতে ছিলেন।
জানা গিয়েছে, এর আগে ১১ ও ১৭ তারিখ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে (Sovandeb Chattopadhyay) সই জাল কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এদিন তৃণমূল বিধায়ক সিআইডি আধিকারিকদের নিজের বাড়িতে ডেকেছিলেন। তাঁদের হাতে ওই রেজোলিশনের কপি তুলে দেওয়া হয়। ঘণ্টাখানেক আধিকারিকরা ওই বাড়িতে ছিলেন। এদিন নাম না করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছেন শোভনদেব। তিনি বলেন, ‘কোর্টে কেস আছে। আমি একটা শব্দও বলব না। তবে ২০০ শতাংশ সহযোগিতা করেছি। আগামিদিনেও করব। এর বেশি কিছু বলার নেই। তবে এ সব যাঁরা করেছেন, বিশেষ ইন্টারেস্ট নিয়ে এসেই করেছেন। আমাদের ভাবনার মধ্যে এ সব ছিল না।”
তিনি আরও বলেন, “যাঁরা স্পিকারের কাছে অভিযোগ জানাতে গিয়েছেন, তাঁরাই এগুলো করে দিয়ে গিয়েছেন। আমরা সকলকে বিশ্বাস করে মিটিংয়ে ডেকেছিলাম। এটা কারা করে দিয়ে গিয়েছে? যাঁরা জাল সইটা করে দিয়েই সোজাসুজি চলে গিয়েছেন স্পিকারের কাছে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
গৌতম দেবের ইস্তফাতেও শিলিগুড়ি পুরবোর্ড টিকিয়ে রাখতে মরিয়া তৃণমূল, বাছাই ‘বিকল্প’ দলনেতা
-
‘ফুটবলে কালো দাগ’, আমেরিকায় ফুটবলারদের উপর ‘নির্যাতন’ নিয়ে বিস্ফোরক ইরানের কর্তা
-
পথচারীদের অধিকার রক্ষায় ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার যুগান্তকারী রায় সুপ্রিম কোর্টের
-
জানলার বাইরে ঝুলন্ত টোল কর্মী, ইসলামপুরে এভাবেই ১২ কিলোমিটার ছুটল গাড়ি
-
জামাইষষ্ঠীর খাওয়াশেষে বুকজ্বালা-অ্যাসিডিটি? অ্যান্টাসিডের দরকার নেই, ঘরোয়া টোটকাতেই ‘ম্যাজিক’