Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
Sudip Polle

আদালতে তোলার সময় তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপকে লক্ষ্য করে জুতো-ডিম! শুনতে হল ‘চোর’ স্লোগান

রাজ্যে পালাবদলের পরেই দুর্নীতি ইস্যুতে জিরো টলারেন্সের বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তোলাবাজি, দুর্নীতিতে পুলিশকে কড়া হাতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে শহর কিংবা শহরতলিতে গ্রেপ্তার হয়েছেন তৃণমূলের একাধিক নেতানেত্রীরা। বাদ যাননি তৃণমূল কাউন্সিলররা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৬, ১৫:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৬, ১৫:০৮

options
link
আদালতে তোলার সময় তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপকে লক্ষ্য করে জুতো-ডিম! শুনতে হল ‘চোর’ স্লোগান zoom
ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লে।

লক্ষ লক্ষ টাকা তোলাবাজির দায়ে ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লেকে আলিপুর আদালতে তোলার সময় উত্তেজনা। রবিবার কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল জুতো ও ডিম। তাকে লক্ষ্য করে ‘চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয়। পরে অবশ্য পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এর আগে নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও আদালতে লক্ষ্য করে জুতো ছোড়া হয়। গরুপাচার মামলায় ধৃত অনুব্রত মণ্ডলের উদ্দেশে ‘চোর’ স্লোগানও শোনা গিয়েছিল।

কলকাতা পুরসভার ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর সুদীপ। শুধু তাই নয়, ১৬ নম্বর বোরোর চেয়ারম্যান হিসাবেও দায়িত্বে রয়েছেন। এলাকায় যথেষ্ট দাপট ছিল তাঁর। জানা যায়, বেহালার শীলপাড়া এলাকার এক ব্যবসায়ী স্থানীয় ঠাকুরপুকুর থানায় সুদীপ পোল্লের নামে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে ওই ব্যবসায়ী জানান, বিভিন্ন সময় তাঁর কাছ থেকে মোটা টাকা চাওয়া হয়। না দিলে মারধর পর্যন্ত করা হয় বলে অভিযোগ তাঁর। এমনকী দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও তৃণমূল নেতা হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এহেন লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। লালবাজার সূত্রে খবর, অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পরেই অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত নেতার বিরুদ্ধে বিএনএসের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, রাজ্যে পালাবদলের পরেই দুর্নীতি ইস্যুতে জিরো টলারেন্সের বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তোলাবাজি, দুর্নীতিতে পুলিশকে কড়া হাতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে শহর কিংবা শহরতলিতে গ্রেপ্তার হয়েছেন তৃণমূলের একাধিক নেতানেত্রীরা। বাদ যাননি তৃণমূল কাউন্সিলররা। তথ্য বলছে, গত সাতদিনে ৭০ জনেরও বেশি জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবার সেই তালিকায় কলকাতা পুরসভার এক কাউন্সিলরও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.