নব্যেন্দু হাজরা: রাস্তার কতটা অংশ দিয়ে গাড়ি চলাচল করবে, আর কতটা পথচারীদের হাঁটার জন্য থাকবে, এবার সে বিষয়ে আসতে চলেছে নতুন নীতি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক সমস্ত রাজ্যের থেকে এ বিষয়ে তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে। কোন রাজ্যের এই পলিসি রয়েছে, থাকলে তাতে কী আছে? কোন রাজ্যের এখনও এবিষয়ে কোনও নীতি নেই, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। সমস্ত রাজ্য থেকে তাদের তথ্য পাওয়ার পর নয়া ‘ফুটপাথ পলিসি’ তৈরি করা হবে।
শুধু ফুটপাথই নয়, শহরে ফুটওভার ব্রিজ এবং সাবওয়ে কোথায় কোথায় কতগুলো রয়েছে, সে বিষয়েও তথ্য চাওয়া হয়েছে। এ রাজ্যে ফুটপাথের বিষয়ে পৃথক নীতি থাকার কথা পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর, পূর্ত এবং পঞ্চায়েত দপ্তরের কাছে। নবান্ন সূত্রে খবর, নগরোন্নয়ন দপ্তরের কাছে এ বিষয়ে একটি পলিসি পাওয়া গিয়েছে। বাকি দুই দপ্তরের কাছেও এই তথ্য চাওয়া হয়েছে। পূর্ত এবং নগরোন্নয়ন দপ্তর দেখে শহরের রাস্তাঘাট। আর পঞ্চায়েত দপ্তর গ্রামের। নবান্ন সূত্রে খবর, দুর্ঘটনা কমাতে কেন্দ্র এবং রাজ্য উভয়ই গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পথচারীদের ফুটপাথ দিয়ে হাঁটার উপর জোর দিচ্ছে। পাশাপাশি রাস্তা পারাপারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ফুট ওভারব্রিজ তৈরির উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
তবে সাধারণ মানুষের বক্তব্য, কলকাতা হোক বা মফস্বল মূল রাস্তার পাশে ফুটপাথ থাকলেও তা হকারের দখলে চলে যায়। ফলে সাধারণ পথচারীরা আর সেই রাস্তা দিয়ে হাঁটতে পারেন না। সে বিষয়ে প্রশাসনের আরও বেশি করে নজরদারির প্রয়োজন। সুপ্রিম কোর্টের তরফে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রককে ফুটপাথ নিয়ে একটাই নীতি আনতে বলা হয়েছে। যা সমস্ত রাজ্যের জন্য প্রযোজ্য হবে। কত ফুট বড় রাস্তার কত অংশ ফুটপাথের জন্য বরাদ্দ থাকবে, সব রাজ্যের ক্ষেত্রে একই নিয়ম করা হবে। নবান্নের কর্তারা জানাচ্ছেন ফুটপাথ নিয়ে নীতি তৈরি হওয়াটা যেমন জরুরি, সেই নিয়ম বাস্তবায়িত করাও ততটাই শক্ত। শহরের রাস্তার ফুটপাথের দখলদারি হটাতে আদালতও নির্দেশ দিয়েছে। কলকাতা পুরসভা তার পর অভিযানেও নামে।
কিন্তু প্রথম কয়েকদিন অভিযান চললেও, কিছুদিনের মধ্যেই ফের যে কে সেই অবস্থা হয়। হকাররা ফের ফিরে আসে ফুটপাথে। ফলে পথচারীদের নেমে আসতে হয় বড় রাস্তায়। ঘটে যায় দুর্ঘটনা। একই সঙ্গে জনসংখ্যা পারাপারের বিচারে ফুট ওভারব্রিজের সংখ্যা বাড়ানোর চিন্তাভাবনাও করা হচ্ছে। যাতে রাস্তা পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনা না ঘটে। যেমনটা আছে, উল্টোডাঙা, পাটুলিতে বা সায়েন্স সিটিতে। বেলঘাটায় রয়েছে রাস্তা পারাপারের জন্য সাবওয়ে। তবে এ সবই হবে সব রাজ্যের রিপোর্ট জমা পড়ার পর নয়া নীতি আসলে। নবান্নের কর্তারা জানাচ্ছেন, ইতিমধ্যেই তিন দপ্তরের কাছে তাদের এই ফুটপাথ পলিসি চাওয়া হয়েছে। তা মিলিত করে পাঠানো হবে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রককে।
সর্বশেষ খবর
-
চিন সীমান্ত ছিল ৫ মিনিট দূরেই! নেপালের ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ পেরতে পেরেছিলেন শর্মিষ্ঠা? স্ত্রীর চিন্তায় দিশেহারা শুভ্রাংশু
-
পাক ম্যাচে বিরাট ভুল, কুলদীপের উপর রেগে আগুন সূর্য, ভাইরাল ভিডিওর নেপথ্যে কোন ঘটনা?
-
গোরক্ষপুরকে স্পেনের সঙ্গে তুলনা রবি কিষানের! হেসে লুটোপুটি যোগী আদিত্যনাথ
-
কাউন্সেলিং শেষ, শীঘ্রই চিকিৎসকদের সিনিয়র রেসিডেন্ট পদে নিয়োগ! বড় ইঙ্গিত স্বাস্থ্যকর্তার
-
কোহলির থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বুমরাহ! সবার উপরে কে? ভারতের সর্বকালের সেরা বাছলেন অশ্বিন